ভারতের ক্রিকেটার রিনকু সিংয়ের কাছ থেকে ৫ কোটি রুপি মুক্তিপণ দাবি করেছে দাউদ ইব্রাহিম-সংযুক্ত এক চক্র। মুম্বাই পুলিশ এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে, যারা ফোন ও ইমেইলের মাধ্যমে রিনকুর টিমকে হুমকি দেওয়ার কথা স্বীকার করেছে। তবে এই ভয়ঙ্কর ঘটনার মধ্যেও রিনকু শান্ত থেকে মাঠে মনোযোগ ধরে রেখেছেন—সম্প্রতি এশিয়া কাপ ২০২৫ ফাইনালে ভারতের শিরোপা জয়ে ছিলেন অন্যতম নায়ক।
মুম্বাই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের প্রতিবেদন তুলে ধরে ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে রিংকুর প্রোমোশনাল টিমকে তিন দফায় ৫ কোটি রুপির মুক্তিপণ দাবি জানানো হয়। হুমকির গুরুত্ব ও দাউদ চক্রের সংশ্লিষ্টতার কারণে পুলিশ বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করে।
গ্রেপ্তার দুইজন হলেন মোহাম্মদ দিলশাদ ও মোহাম্মদ নাভিদ। দুজনই প্রথমে ওয়েস্ট ইন্ডিজে লুকিয়ে ছিলেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় তাদের গত ১ আগস্ট ভারতে প্রত্যর্পণ করা হয়। এরপর মুম্বাই পুলিশ বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।
একজন আসামি জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন, তিনিই সরাসরি রিংকু সিংকে ফোন করে ৫ কোটি রুপি দাবি করেছিলেন। পুলিশ আরও জানিয়েছে, রিংকুর টিমকে একাধিক হুমকিমূলক ফোনকল ও ইমেইল পাঠানো হয়েছিল।
এই ঘটনা শুধু রিংকু সিং নয়, বরং আরও বড় এক চাঁদাবাজি চক্রের অংশ বলেই ধারণা পুলিশের। একই দুই ব্যক্তি প্রয়াত রাজনীতিক ও সাবেক এমএলএ বাবা সিদ্দিকীর ছেলে জিশান সিদ্দিকীর কাছ থেকেও ১০ কোটি রুপি দাবি করেছিলেন। তদন্তকারীদের মতে, রিনকু ও জিশানের প্রতি হুমকিগুলো একই দাউদ-সংযুক্ত নেটওয়ার্কের অংশ।
মুম্বাই পুলিশ জানিয়েছে, তারা এখনো চাঁদাবাজি চক্রটির মূল নেটওয়ার্ক উন্মোচনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধচক্রের সংশ্লিষ্টতা থাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে রিংকু সিংয়ের চারপাশে।
অভিষেক শর্মাকে আউট করা ৩ বলের ব্যাপার, ধৃষ্টতা পাকিস্তানি পেসারের
হামজার গোলে এগিয়ে গিয়েও প্রথমার্ধে ১-১ সমতা