২০২৬ সালের বিশ্বকাপ সামনে রেখে ব্রাজিল জাতীয় দল এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছেন, আসন্ন প্রীতি ম্যাচগুলোই নির্ধারণ করবে, কারা থাকবেন তার ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দলে। ইতিহাস বলছে ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাস বলছে, প্রীতি ম্যাচ থেকে উঠে আসা “অপ্রত্যাশিত” নামগুলোই অনেক সময় বিশ্বকাপে বড় ভূমিকা রেখেছে।
আজ শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। এরপর মঙ্গলবার তারা আরেকটি ম্যাচ খেলবে জাপানের বিপক্ষে। গত আগস্টে শেষ দুটি বাছাইপর্বের ম্যাচের দল ঘোষণা করার সময় আনচেলত্তি বলেন, ‘আমার মনে একটা মূল দল তৈরি আছে—১৪ থেকে ১৫ জন নিশ্চিত। বাকিদের আমি প্রীতি ম্যাচে পর্যবেক্ষণ করব, তারপরই চূড়ান্ত তালিকা ঠিক করব।’
ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, ২০০২ বিশ্বকাপে লুইস ফিলিপ স্কলারির দলে চমক হয়ে ছিলেন ক্লেবারসন। প্রথমে রিজার্ভে থাকলেও পরবর্তীতে মূল একাদশে জায়গা করে নেন। জার্মানির বিপক্ষে ফাইনালে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাও রাখেন। এরপর ২০০৬ সালে কার্লোস আলবার্তো পারেইরা হঠাৎই ডেকে নিয়েছিলেন গোলরক্ষক রোজেরিও সেনি ও মিডফিল্ডার মিনেইরোকে।
২০১০ বিশ্বকাপে কার্লোস দুঙ্গা চমকে দিয়েছিলেন ডিফেন্ডার হেনরিক, লেফট-ব্যাক মিশেল বাস্তোস ও স্ট্রাইকার গ্রাফিতেকে নিয়ে। বাস্তোস শেষ পর্যন্ত পুরো টুর্নামেন্টেই ছিলেন মূল দলে। এবারের ব্রাজিল দলেও এমন কিছু নতুন মুখকে যাচাই করতে চান আনচেলত্তি, ‘এই ম্যাচগুলোই বলবে কারা ব্রাজিল জার্সি পরে বিশ্বকাপে যেতে প্রস্তুত। আমি দেখতে চাই, কঠিন মুহূর্তে কে কেমন সাড়া দেয়।’
গত প্রায় দুই দশক ধরে ব্রাজিল ফুটবল ক্রমেই তলানির দিকে যাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত কার্লো আনচেলত্তি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০২৬ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের শক্তিশালী দল হিসেবে ব্রাজিলকে অন্যতম ফেভারিট ধরা হচ্ছে। আর তাই কোচ আনচেলত্তির জন্য দল বাছাইয়ের এই পর্ব এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
কাবরেরার চাকরি কি থাকবে? যা বললেন বাফুফে সভাপতি
স্ত্রীকে নিয়ে সাংবাদিকের কটুক্তির জবাব দিলেন ডি মারিয়া
‘মিডফিল্ড জেনারেল’ কাসেমিরো আবার ব্রাজিলের অধিনায়ক
১ ওভারে ২৭ রান দেওয়া সাকিব মারলেন ‘গোল্ডেন ডাক’