টানা দুইটি আইসিসি ট্রফি জয়ের পরও ওয়ানডে অধিনায়কত্ব হারাতে হয়েছে রোহিত শর্মাকে। আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সফরে ভারতের ওয়ানডে দলকে নেতৃত্ব দেবেন শুবমান গিল। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালই এখন পর্যন্ত রোহিতের শেষ ওয়ানডে। দলকে শিরোপা জেতানোর পাশাপাশি তিনি ফাইনালের ম্যাচসেরা হয়েছিলেন। ইতিহাস বলছে, ম্যাচসেরা হওয়ার পরের ম্যাচেই নেতৃ্ব হারানোর এমন দৃষ্টান্ত বিরল।
পাকিস্তানের সাবেক কিংবদন্তি ইমরান খান ১৯৯২ সালে প্রায় ৪০ বছর বয়সে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন। ২০২৭ সালের বিশ্বকাপের সময় রোহিতের বয়সও হবে ৪০। পার্থক্য শুধু একটাই— ইমরান পেয়েছিলেন বিদায়ী মঞ্চ, রোহিত পেলেন না কোনো সম্মানজনক বিদায়। প্রধান নির্বাচক অজিত আগারকারের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, তিন ফরম্যাটে তিনজন অধিনায়ক রাখার জটিলতা দূর করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ভারতীয় ক্রিকেটাঙ্গনে এখন প্রশ্ন উঠেছে যে— রোহিত শর্মার মতো একজন সফল অধিনায়ককে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত এত তাড়াহুড়া করে নেওয়া হলো কেন? শুবমান গিল টেস্ট দলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, আর ওয়ানডে দলে তার হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে এমন সময়, যখন রোহিত ও বিরাট কোহলি দুজনেই দলে আছেন। ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, ‘নিউ ইন্ডিয়া’র এই ভাবমূর্তির আড়ালে হারিয়ে যাচ্ছে অভিজ্ঞতা।
রোহিতের অধীনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জিতেছে ভারত। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ এবং ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেললেও শিরোপা জেতা হয়নি। রোহিতের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং, সাহসী সিদ্ধান্ত এবং স্পিনভিত্তিক কৌশল ভারতকে এনে দিয়েছে এক নতুন ছন্দ। ক্রিকেট বোদ্ধাদের ভাষায়, ‘রোহিতের ভারত অস্ট্রেলিয়ার রিকি পন্টিং যুগের মতোই সংগঠিত ও নির্ভুল ছিল।’
দীর্ঘদিন ধরে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের নেতৃত্বে থেকে রোহিত শিখেছেন কীভাবে চাপের মধ্যে দলকে জেতাতে হয়। সেই জ্ঞানই তিনি ভারতের দলে প্রয়োগ করেছিলেন। বুমরা, কুলদীপ, জাদেজা, শ্রেয়াস আইয়ারদের রোহিতই গড়ে তুলেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুবমানের মতো মেধাবী তরুণের জন্য এখনো কিছুটা শেখার বাকি আছে। অন্তত একটি সিরিজ রোহিতের অধীনে খেলতে দেওয়া উচিত ছিল।
সাত ম্যাচে নয় গোল, গোল্ডেন বুটের দৌড়ে আরও এগিয়ে হালান্ড
এমবাপ্পের চোখ জুড়ানো গোলে ফ্রান্সের টানা তৃতীয় জয়
মেসিকে না খেলানোর সিদ্ধান্ত আমিই নিয়েছি: স্কালোনি