অনেকেই প্রতিদিন ৩-৪ লিটার পানি পান করেন, তারপরও ডিহাইড্রেশনের (পানিশূণ্যতা) সমস্যায় ভোগেন। কেন এমন হয়? চলুন, জেনে নিই।
ডিহাইড্রেশন সাধারণত তখনই হয়, যখন শরীর থেকে যে পরিমাণ পানি বেরিয়ে যায়, তা পূরণ হতে পারে না। অতিরিক্ত ঘাম, বমি, ডায়রিয়া কিংবা পর্যাপ্ত তরল না পান করলে এই সমস্যা দেখা দেয়।
গ্রীষ্মকালে এটি বেশি দেখা গেলেও বর্ষাকাল কিংবা বছরের বাকি সময়েও এ সমস্যা হতে পারে, বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলে ঘামও বেশি হয়। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, অনেকেই যথেষ্ট পানি পান করেও ডিহাইড্রেটেড বোধ করেন এবং বারবার প্রস্রাবের প্রয়োজন হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু পানি পান করলেই শরীর পুরোপুরি হাইড্রেটেড হয় না। কারণ সাধারণ পানি খুব দ্রুত শরীর থেকে বেরিয়ে যায় এবং কোষের (সেলুলার) স্তরে হাইড্রেশন করে না।
কিন্তু যদি সেই পানিতে লেবু, পুদিনা বা সামান্য লবণ যোগ করা হয়, তাহলে সোডিয়ামের উপস্থিতি শরীরকে সেই পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে। এতে কম প্রস্রাব হয় এবং শরীর দীর্ঘক্ষণ হাইড্রেটেড থাকে। অর্থাৎ, আপনি কতটা পানি পান করছেন তা যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো কীভাবে সেই পানি পান করছেন।
হাইড্রেটেড থাকার আরও কিছু উপায়:
১।লেবু-পুদিনা মিশ্রিত পানি: সোডিয়াম বাড়িয়ে শরীরের পানির ধারণক্ষমতা বাড়ায়।
২। নারকেল পানি: এতে প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট থাকে যা হাইড্রেশনে সহায়তা করে।
৩। ফলের রস ও সবজির জুস: ফল ও সবজি প্রাকৃতিকভাবে পানিসমৃদ্ধ, যা শরীরকে হাইড্রেট রাখতে কার্যকর।
সুতরাং, শুধু পানি নয়, হাইড্রেশন নিশ্চিত করতে পানির ধরন ও উপাদানের দিকেও খেয়াল রাখা জরুরি।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস
