পছন্দের ফরম্যাটেও এখন চরম দুরবস্থা। সবশেষ ১২টি ওয়ানডে ম্যাচের মধ্যে ১১টিতেই হেরেছে বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে সাম্প্রতিক সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়ে আরও বিপাকে পড়েছে লাল-সবুজরা।
এই ধাক্কা সামলে নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়াতে শনিবার থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। সিরিজে জয় এখন অত্যন্ত জরুরি, শুধু আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার জন্য নয়—বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনের লড়াইয়েও।
দেশের ক্রিকেটের বর্তমান টালমাটাল পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুলেছেন জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু। বৃহস্পতিবার উইন্ডিজ সিরিজের জন্য দল ঘোষণার পর এক ভিডিও বার্তায় বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক বলেছেন, ''অতি সম্প্রতি সাদা বলে, বিশেষ করে টি-টোয়েন্টিতে আমাদের কিছু ভালো সাফল্য ছিল। কিন্তু আফগানিস্তানের বিপক্ষে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স নিকট অতীতের সাফল্যকেও একেবারে ম্লান করে দিয়েছে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা যারা ক্রিকেট দেখি, ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত—কেউই আশা করেনি এমন একটি ফল হতে পারে। ব্যাটিংয়ের দুর্বলতাগুলো খুব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে, যা যত দ্রুত সম্ভব কাটিয়ে উঠতে হবে।”
তবে লিপুর মতে, ব্যর্থতার কষ্টে এখন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন ক্রিকেটাররা, “বুকে হতাশা বয়ে বেড়ানোটা একজন খেলোয়াড়ের জন্য অত্যন্ত কঠিন। শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তিতে তারা সম্পূর্ণ আচ্ছন্ন হয়ে আছে—এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। এরকম অবস্থার পর মাঠে ফেরা বেশ চ্যালেঞ্জিং।”
প্রধান নির্বাচক আশাবাদী, ঘরের মাঠের সুবিধা কাজে লাগিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ভালো কিছু করতে পারবে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, “আমরা এখন হোমে মিরপুরের উইকেটে খেলছি, আবুধাবির পিচে নয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের দলে রশিদ খানের মতো কোনো ‘এক্সট্রা অর্ডিনারি’ স্পিনারও নেই। তাই এটা আমাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির জায়গা।”
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে দলে এসেছে কিছু পরিবর্তনও। প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন তরুণ ব্যাটার মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। প্রায় আট মাস পর ফিরেছেন সৌম্য সরকার। “অঙ্কনের নামটা নিশ্চয়ই অনেক উজ্জ্বল। তাকে এনে আমরা ডেপথটা বাড়িয়েছি,” বলেন প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সোবহানার সর্বোচ্চ রান, বাংলাদেশ করলো ১৯৮