ব্যাটিং ব্যর্থতায় সাগরিকায় হার

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২৫, ১২:৩৮ এএম

দোষটা যে উইকেটের নয়, বরং ব্যাটসম্যানদের দক্ষতা আর সামর্থ্যরেই ঘাটতি; সেটা প্রমাণিত হয়ে গেল আরও একবার। চট্টগ্রামে, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ১৬ রানে হেরে গেল বাংলাদেশ, তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে গেল ক্যারিবিয়ানরা।

মিরপুরের শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের উইকেট ছিল কালো, তবে চট্টগ্রামের উইকেট নিঃসন্দেহেই ভালো। এমন উইকেটে শাই হোপ টস জিতে অনুমিতভাবেই নিলেন ব্যাটিং। পাওয়ার প্লেতে দুই উইন্ডিজ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তুললেন ৩৫ রান, ৮.২ ওভারে প্রথম উইকেটের পতন। ৫৯ রানের প্রারম্ভিক জুটির পর আউট হলেন ২৭ বলে ৩৪ রান করা আলিক অ্যাথেনাজে। এরপর শাই হোপ ব্রেন্ডন কিংকে নিয়ে গড়লেন ২৩ বলে ২৩ রানের জুটি। কিং টানা চতুর্থবারের মতো আউট হলেন তাসকিন আহমেদের বলে। ২০২৪ সালে ঘরের মাঠের সিরিজেও কিং তিনবারই আউট হয়েছিলেন এ বোলারের বলেই। পরের বলে আউট শেরফানে রাদারফোর্ডও। ২ বলে ২ উইকেট নেই, ওয়েস্ট ইন্ডিজকে কোণঠাসাই করে ফেলেছে বাংলাদেশ। মোমেন্টাম তখন বাংলাদেশের পক্ষে।

এমন জায়গা থেকে ২০ ওভার শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান সেই ৩ উইকেটেই ১৬৫। মোমেন্টামটা ছিনিয়ে নিজেদের দিকে নিয়ে এসেছেন রভম্যান পাওয়েল। সঙ্গে অবশ্যই সহযোগিতা আছে বাংলাদেশের! তার রান যখন ৯, তখন কভারে খেলতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লাগিয়ে শর্ট থার্ডম্যানে ক্যাচ দিয়েছিলেন পাওয়েল। সেটা হাতে নিয়েও রাখতে পারলেন না তানজিম হাসান সাকিব।

পাওয়াল শেষ পর্যন্ত করেন ২৮ বলে অপরাজিত ৪৪। ১৯তম ওভারের শেষ বলে মোস্তাফিজুর রহমানকে ছক্কা মেরে তা-বের শুরু, শেষ ওভার করতে আসা তানজিম সাকিবের দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বলে টানা তিন ছক্কা। হোপের (২৮ বলে ৪৬*) সঙ্গে ৪৬ বলে অপরাজিত ৮৩ রানের জুটি। তাতেই সংগ্রহটা বাংলাদেশের নাগালের বাইরে।

এরপর ব্যাটিংটাও বাংলাদেশ করল যাচ্ছেতাই। পাওয়ার প্লেতেই বাংলাদেশ হারায় ৪ উইকেট। টপ অর্ডারে তাওহীদ হৃদয় (২৮) ছাড়া হাসেনি কারও ব্যাট। সাইফ হাসান ৮, তানজিদ তামিম ১৫, লিটন দাস ৫, শামীম পাটোয়ারী ফেরেন ১ রানে। এরপর দলীয় ৭৭ রানে সোহান ফেরার পর সপ্তম উইকেটে ৪০ রানের জুটি গড়েন তানজিম সাকিব ও নাসুম আহমেদ। তানজিম ৩৩ ও নাসুম ২০ করে ফিরলে জয়ের আশা শেষ হয় বাংলাদেশের। শেষ পর্যন্ত ১৪৯ রানে অলআউট স্বাগতিকরা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত