ব্রাজিলের কোচ হওয়ার পর এই প্রথম ভীষণ অপমানজনক পরিস্থিতিতে পড়লেন কার্লো আনচেলত্তি। রিও ডি জেনেইরোর ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কোচেস ফোরামে এক অনুষ্ঠানে আনচেলত্তির মতো বিদেশি কোচ নিয়োগের তীব্র সমালোচনা করেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি গোলরক্ষক ও বিশ্বকাপ জয়ী এমারসন লিও। মঞ্চে তখন উপস্থিত ছিলেন স্বয়ং আনচেলত্তি। এই ঘটনাটি ব্রাজিলে যথেষ্ট আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
সেই অনুষ্ঠানে এমারসন লিও বলেছেন, ‘আমি সবসময় বলেছি, আমি আমাদের দেশে বিদেশি কোচ পছন্দ করি না। এই সিদ্ধান্তের জন্য আমরা—আমরা কোচরাই—দায়ী। এখানে নাম বা জাতীয়তার বিষয় নয়, আমাদের ভুল ছিল!’ ৬৬ বছর বয়সী আনচেলত্তি তখনই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন, এবং লিওর কড়া সমালোচনা শোনার সময় তিনি চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিলেন। ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবো এস্পোর্টে ভিডিওসহ লিখেছে, ‘তাদের কারণে কার্লো বিব্রত হয়েছিলেন।’
ফোরামে লিওকে সমর্থন দেন অসওয়াল্ডো দে অলিভেইরা। এই আলিভেইরাই বলেছিলেন যে, ‘আমি চাইনি বিদেশি কোচ আসুক। কিন্তু যদি আনতেই হয়, তাহলে আনচেলত্তিই আসুন। তারপরে অবশ্যই একজন ব্রাজিলিয়ান কোচ দায়িত্ব নেবে।’ এই ঘটনাটি ব্রাজিলিয়ান ফুটবলে বিদেশি কোচ নিয়োগ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ককে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। এর পেছনে নেইমারকে ছাঁটাই করার বিষয়টিও জড়িতে বলে অনেকের মত।
ফিফা ইন্টারন্যাশনাল উইন্ডোর জন্য সেনেগাল ও তিউনিসিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের জন্য নেইমারকে দলে রাখেননি আনচেলত্তি। ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদোও নেইমারের অনুপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এরপরই আনচেলত্তির সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটল। নেইমারের বিষয়ে আনচেলত্তি বলেছিলেন, ‘আমি এমন খেলোয়াড়কে দলে নেব না, যে পুরো বিশ্বকাপের জন্য পর্যাপ্ত ফিজিক্যাল ইনটেনসিটি দেখাতে পারবে না। খেলোয়াড়দের অবশ্যই সেরা ফিটনেসে থাকতে হবে।’
