মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠিয়ে ৫২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ

আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০২৫, ০৬:৪১ এএম

মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানিকালে ৩ হাজার ৩৩১ ব্যক্তির কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত অর্থের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি অর্থ আদায়ের মাধ্যমে ৫২৫ কোটি ২২ লাখ টাকার বেশি আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে ছয়টি রিক্রুটিং এজেন্সির ১১ জন জনের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বৃহস্পতিবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এসব মামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

দুদকের অনুসন্ধান সূত্রে জানা যায়, মালয়েশিয়ার শ্রম বাজারে জনশক্তি রপ্তানিকালে ৩ হাজার ৩৩১ ব্যক্তির কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার স্থলে কয়েকগুণ বেশি অর্থ আদায় করা হয়েছে। তারা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের কাছ থেকে ৫২৫ কোটি ২২ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ টাকা বেশি আদায় করেন। তারা বিএমইটি ও বায়রা’র নিবন্ধন শর্ত ভঙ্গ করে অবৈধভাবে শ্রমিক প্রেরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ ছাড়া, কর্মীদের কাছ থেকে পাসপোর্ট প্রক্রিয়া, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও অন্য খরচের নামে অতিরিক্ত ফি আদায় করে তা আত্মসাৎ করেন। দুদকের অনুসন্ধানে অবৈধ অর্থ আদায়, হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় ছয়টি প্রতিষ্ঠানের মালিকসহ মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

যাদের মামলায় আসামি করা হচ্ছে তাদের মধ্যে রয়েছেন-মেসার্স আমিন ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের মালিক রুহুল আমিন, মেরিট ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহানা ফেরদৌস, সাদিয়া ইন্টারন্যাশনালের মালিক শামীম আহমেদ চৌধুরী নোমান, ইমপেরিয়াল রিসোর্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. ইকবাল হোসাইন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত