মারাকানায় বিবর্ণ পারফরম্যান্সে নেইমারের সমালোচনা

আপডেট : ১০ নভেম্বর ২০২৫, ০৪:৪৩ পিএম

ব্রাজিলিয়ান লিগ সেরি 'এ' এর ম্যাচে মারাকানা স্টেডিয়ামে ফ্লামেঙ্গোর মুখোমুখি হয় সান্তোস। তিন গোল হজমের পর দুই মিনিটের মধ্যে দুই গোল শোধ দেয় সান্তোস। তবে ম্যাচটি ৩-২ ব্যবধানেই জিতেছে ফ্লামেঙ্গো। শুরুর একাদশেই খেলেছেন নেইমার। ৮৫ মিনিট মাঠে থেকেও তেমন কিছু করতে পারেননি। নেইমারের পারফরম্যান্স নিয়ে হচ্ছে সমালোচনা।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএস কঠোর সমালোচনা করেছে নেইমারের। তারা বলছে, নেইমারের খেলায় ছন্দের অভাব, এমনকি কিছু সতীর্থদের মাঠের সাভাবিক খেলাতেও বাধা হয়ে দাঁড়ান তিনি ধির গতির দৌড়ের কারণে। সংবাদমাধ্যমটির মতে যদি নেইমার শীঘ্রই তার ফর্ম ফিরে না পান, তবে পরবর্তী বিশ্বকাপে ব্রাজিল জাতীয় দলের জার্সি গায়ে জড়ানো কঠিন হয়ে উঠবে নেইমারের জন্য।

সবশেষ হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে দুই মাস, ম্যাচের হিসেবে ৭টি মিস করেন নেইমার। পরে ফোরতালেজার বিপক্ষে ড্র করা ম্যাচে ফেরেন মাঠে। বদলি হিসেবে খেলেন ২৩ মিনিট। পরের ম্যাচ ছিল পালমেইরাসের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে স্কোয়াডে ছিলেন না। আজ আবার মাঠে ফিরে বলার মতন পারফরম্যান্স করেননি নেইমার।

ম্যাচে ৩৭ মিনিটে লেও পেরেইরা গোলে এগিয়ে যায় ফ্লামেঙ্গো। ৫১ মিনিটে হোর্হে কারাসকালের গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। ৮১ মিনিটে লিড ৩-০ করেন ব্রুনো হেনরিক। তবে ৮৯ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল বোনটেম্পো এবং যোগকরা সময়ের প্রথম মিনিটে লাউতারো দিয়াজ গোল করলে ম্যাচে ফেরে সান্তোস। তবে বাকি কয়েক মিনিটে সমতায় ফিরতে পারেনি সান্তোস।

৮৫ মিনিটে নেইমার উঠে যাওয়ার পর দলের দুই গোল এটি আরও স্পষ্ট করে যে তার কারণে দল সাভাবিক খেলাটা খেলতে পারছিলা না। নেইমারের জন্য দলের অন্যদের খেলতে সমস্যা হওয়ার বিষয়টি বিশ্লেষণ করছেন অনেকে।

তবে ম্যাচ হেরে রেফারির বিরুদ্ধে কথা বলেছেন নেইমার। ‘সম্মান জানিয়েই বলছি, তিনি (রেফারি) খুব খারাপ ও অহংকারী। রেফারিরা সব সময় বলে থাকেন, শুধু দলের অধিনায়ক তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন। অন্য কেউ কথা বলতে গেলেই তাঁরা পেছনে ঘুরে যান, হুমকি দেন।’

রেফারির কাছে যাওয়াতেই হলুদ কার্ড দেখেছেন বলে দাবি নেইমারের, 'আমাকে হলুদ কার্ড দেওয়া হয়েছে কারণ, আমি তার (রেফারির) কাছে গিয়েছিলাম। তিনি বলেছিলেন, ''তুমি যদি আমার কাছে আসো, তাহলে তোমাকে হলুদ কার্ড দেখাব।'' আমি জানতে চেয়েছিলাম, কেন? কারণ, আমার মনে হয়েছিল ফ্লামেঙ্গো গোল করার সময় ব্রাজাওকে (সান্তোসের গোলকিপার) ফাউল করা হয়েছিল। এ ধরনের ভুল ব্রাজিলের রেফারিংয়ে বারবার দেখা যায়। আবারও বলছি, এই ম্যাচে রেফারির আচরণ ছিল সত্যিই ভয়ানক।'

 
×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত