পটুয়াখালীর দুমকিতে 

আমন ফলনে কৃষকের মুখে আনন্দের হাসি

আপডেট : ১১ নভেম্বর ২০২৫, ০১:০৮ পিএম

পটুয়াখালীর দুমকিতে চলতি মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের মাঠজুড়ে এখন সবুজের সমারোহ। হেমন্তের হিমেল হাওয়ায় দিগন্তজোড়া আমনের ক্ষেত হেলে দুলে প্রকৃতিকে করছে মোহময়। 

এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও সময়মতো চারা রোপণের কারণে ভালো ফলনের আশা করছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা। 
 
উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, চলতি মৌসুমে উপজেলার শ্রীরামপুর, আঙ্গারিয়া, মুরাদিয়া, লেবুখালী ও পাংগাশিয়া ইউনিয়নে ৬ হাজার ৬০১ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। 

তবে মাঠ পর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আমন চাষ হয়েছে। উঁচু জমিতে আগাম জাতের ধান রোপণ করায় কোথাও কোথাও পাকা শুরু হয়েছে। আবার কোথাও শীষে ধান ধরছে।

নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এবার দুমকিতে বেশি জমিতে আমন চাষ হয়েছে। ছবি: দেশ রূপান্তর

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব মাঠই সবুজ আমন ধানে ভরে আছে।  এক সঙ্গে মাঠে মাঠে কৃষকদের হাসির ঝিলিকও দেখা গেছে। পরিবেশটা এক অন্যরকম মনোমুগ্ধকর রূপ নিয়েছে। 

উত্তর শ্রীরামপুর গ্রামের কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, আমনের বীজ সংকট হলেও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সময়মতো চারা রোপণ করতে পেরেছি। কোথাও কোথাও পোকার আক্রমণের কথা শোনা গেলেও আমাদের এলাকায় এখন পর্যন্ত তেমন কোনো রোগবালাই দেখা যায়নি। আশা করছি, এবার ভালো ফলন পাব।

একই কথা জানান মুরাদিয়া ইউনিয়নের কৃষক মাইনুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমাদের এলাকায় এবছর আমন ধানের চারা খুব ভালো হয়েছে। 

এ বিষয়ে দুমকি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো.ইমরান হোসেন বলেন, কৃষকদের আমন চাষে উদ্বুদ্ধ করতে প্রশিক্ষণ ও সরকারি প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। নদীবিধৌত পলি বেষ্টিত এ এলাকার মাটি আমন চাষের জন্য উপযোগী। মাঠ পর্যায়ে পোকামাকড় দমন ও চাষাবাদে আমরা নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত