ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা শুধু একটি ফুটবল ম্যাচ নয়—এটি একটি ঐতিহাসিক দ্বৈরথ, আবেগের বিস্ফোরণ এবং গর্বের লড়াই। পেলেকে দিয়ে শুরু, এরপর ম্যারাডোনা, রোনালদিনহো, মেসি, নেইমার থেকে আগুয়েরো পর্যন্ত—দুই দেশের কিংবদন্তিরা যুগে যুগে ফুটবলের মঞ্চে একে অপরের বিপরীতে আলো ছড়িয়েছেন। চিরচেনা সেই দ্বৈরথ আবারও ফিরে আসছে, তবে ভিন্ন রূপে।
কোপা সুদামেরিকানার ফাইনালে মুখোমুখি আর্জেন্টিনার লানুস ও ব্রাজিলের আতলেতিকো মিনেইরো। দুটি দলই দক্ষিণ আমেরিকার বাইরে পরিচিত নয়। লানুস হলো আর্জেন্টিনায় বুয়েনোস আইরেসের দক্ষিণাঞ্চলের একটি ক্লাব, যেখানে কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার জন্ম হয়েছিল। ক্লাবটি ১৯৯৬ সালে কোপা কনমেবল আর ২০১৩ সালে কোপা সুদামেরিকানার শিরোপা জিতেছিল।
অন্যদিকে বেলো হরিজোন্তের গর্ব আতলেতিকো মিনেইরো ব্রাজিলের অন্যতম সফল ক্লাব। ৬০টিরও বেশি শিরোপাজয়ী এই দলটি ২০১৩ সালে কোপা লিবার্তাদোরেস জিতে মহাদেশীয় পর্যায়ে শীর্ষে ওঠে। দলটির ম্যানেজার হিসেবে আছেন অভিজ্ঞ কোচ হোর্হে সাম্পাওলি। আক্রমণভাগের নেতৃত্বে শক্তিশালী ফরোয়ার্ড হাল্ক। তার পাশে রয়েছেন রনি, বার্নার্ড, স্কার্পা, গোমেস ও ডুডু। তরুণ প্রতিভা রেইনিয়ের দলটির বড় শক্তি।
অর্থ ও তারকা শক্তিতে ব্রাজিল এগিয়ে থাকলেও আর্জেন্টিনা সবসময়ই মাঠে নামে অদম্য মনোবল ও আবেগ নিয়ে, যার সাক্ষর তারা ২০২৬ বিশ্বকাপেই রেখেছে। এটি শুধু লানুস বনাম আতলেতিকো মিনেইরো নয়—এটি আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল, গর্ব বনাম গর্ব, ট্যাঙ্গো বনাম সাম্বার লড়াই। আগামী ২২ নভেম্বর শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় ম্যাচটি সরাসরি দেখা যাবে beIN Sports চ্যানেলে।
মুমিনুল পেলেন না সেঞ্চুরি; মাহমুদুলের হলো না ডাবল সেঞ্চুরি
নেইমারের বাজে আচরণে সবাই ক্ষুব্ধ; পাশে দাঁড়াল ক্লাব
জাহানারার যৌন হয়রানির অভিযোগের তদন্ত কমিটির কলেবর বাড়লো