৮৩ ইনিংস ও দীর্ঘ ৮০০ দিনের অপেক্ষা শেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেঞ্চুরির দেখা পেলেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। রাওয়ালপিন্ডিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে করলেন ক্যারিয়ারের ২০তম সেঞ্চুরি। একই সঙ্গে পাকিস্তানের হয়ে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে সেঞ্চুরির তালিকায় যৌথভাবে শীর্ষে উঠলেন কিংবদন্তি সাঈদ আনোয়ারের পাশে।
সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর বাবরের মুখে স্বস্তির ছাপ স্পষ্ট ছিল। তবে উদযাপনে বাড়াবাড়ি ছিল না। অল্পক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে ধীরে ধীরে হাঁটু গেড়ে মাটিতে মাথা নত করেন। যেন সব চাপ, সব সমালোচনার ভার সেঞ্চুরির ছোঁয়ায় মাটিতে মিশে যায়। গ্যালারিতে দেখা যায় দর্শকদের উল্লাস। ম্যাচ শেষে গভীর রাতের সংবাদ সম্মেলনে বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন বাবর। খারাপ সময়ে সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানান সকলকে।
বাবর বলেন, ‘আমার কঠিন সময়ে যেভাবে পাকিস্তানের মানুষ আমাকে সমর্থন দিয়েছে, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। কঠিন সময়েই বুঝতে পারেন কারা আপনার প্রকৃত সমর্থক। এর আগের সিরিজগুলোতে ভালো শুরু পেয়েও বড় রান করতে পারিনি। আজ লক্ষ্য ছিল পার্টনারশিপ গড়া। ফখরকে (জামান) বেশি স্ট্রাইক দিয়েছি। কারণ সে সেট হয়ে গেছে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে দিতে পারে।’
বাবর জানান, খারাপ সময়ে মানসিক চাপে ভুগলেও নিজের অনুশীলন প্রক্রিয়া ও পরিশ্রম নিয়ে কখনও আপস করেননি। তার ভাষায়, ‘সময়টা কঠিন ছিল। কিন্তু নিজেকে বিশ্বাস করেছি। ফিটনেস ও টেকনিকের ওপর আলাদা করে কাজ করেছি। নেতিবাচক চিন্তা মাথায় আসে—কেন এমন হচ্ছে? কিন্তু পরিকল্পনায় স্থির থাকতে হয়। কোচ, সতীর্থ সবাই পরামর্শ দেয়। কিন্তু মাঠে কাজটা আপনাকেই করতে হয়। আত্মবিশ্বাসই আসল।’
৩১ বছর বয়সী বাবর বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান বয়সভিত্তিক ক্রিকেট থেকে পরিচিত দুই কোচ শাহিদ আসলম ও মনসুর রানাকে। পাশাপাশি নবীনদের জন্য পরামর্শও দেন বাবর, ‘বিশ্বাস রাখতে হবে। দুই-এক দিন অনুপ্রেরণা পাওয়া যায়, কিন্তু প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম ও নিবেদন ছাড়া খারাপ সময় কাটানো যায় না। রান করলে আত্মবিশ্বাস অন্য পর্যায়ে যায়। কঠোর পরিশ্রমে কখনও ছাড় দিইনি। আশা করছি সামনে আরও ভালো করা যাবে।’
শততম টেস্টে সেঞ্চুরিয়ানদের একাদশ পূর্ণ করতে পারবেন মুশফিক?
‘জাহানারা-মন্টির সম্পর্ক নিয়ে তো প্রশ্ন ওঠে না’ বোমা ফাটালেন জ্যোতি!
আনচেলত্তির বিশ্বকাপ দল চূড়ান্ত, তবে সুযোগ থাকছে শেষ দিন পর্যন্ত
রোনালদোর লাল কার্ড বিতর্ক বাড়িয়ে দিল নতুন ভিডিও ফুটেজ