জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। গতকাল
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ককটেল বিস্ফোরণ, পেট্রোল বোমা, গাছ কেটে রাস্তায় ফেলে অবরোধসহ নানা নাশকতামূলক ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল রাতে উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসানের বাসার সামলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে এতে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এছাড়া রাজধানীর দারুসসালামে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। মহাখালী কাঁচাবাজার, পল্লবী মেট্রো স্টেশনের নিচে, সোনারগাঁও হোটেলের সামনে বাংলামোটরে এনসিপি কার্যালয় সামনে ও বাড্ডা প্রগতি সরণিতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
এদিকে মধ্য বাড্ডা প্রগতি স্মরনী এলাকায় একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে। ঢাকার ধামরাইয়ে বাসে আগুন দেওয়া হয়। গতকাল দিনভর বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। এর মধ্যে গ্রামীণ ব্যাংককে টার্গেট করে অগ্নিসংযোগ, ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
আজ সোমবার শেখ হাসিনার রায় ঘিরে পুলিশের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে গতকাল রবিবার পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (মিডিয়া) এ এইচ এম সাহাদাত হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, সারা দেশে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকাসহ সব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ও বিশেষ টিম প্রস্তুত রাখা এবং সংবেদনশীল এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চেকিং চলছে এবং টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। উস্কানি, ভাঙচুর বা নাশকতার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে আইনানুগভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ছাড়াও পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রায়ের তারিখ ঘোষণার দিন ১৩ নভেম্বর লকডাউন কর্মসূচি ঘিরে চালানো ককটেল হামলা ও আগুনসন্ত্রাসের পুনরাবৃত্তি প্রতিরোধে মেট্রোপলিটন, জেলা ও রেঞ্জ পুলিশদের বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজধানীর প্রতিটি মোড়ে র্যাব, পুলিশ, বিজিবি, সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের সতর্ক অবস্থান দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আশপাশের এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে।
ঢাকা, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও মাদারীপুরে সার্বিক নিরাপত্তা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সড়কের গুরুত্বপূর্ণ মোড়, প্রবেশপথ, অতি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কি পয়েন্ট ইনস্টলেশন-কেপিআই) ও সংবেদনশীল স্থানে তিন স্তরের নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে। এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, রায় কেন্দ্র করে রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। সাইবার ইউনিট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোয় নজরদারি করছে। কোনো ধরনের নাশকতামূলক কাজ যেন না ঘটে, তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত টহল কার্যক্রম চলছে।
গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, শেখ হাসিনার রায়কে ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা রাজধানীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনায় রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পেজ, গ্রুপ ও ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে দলটির সমর্থকরা ছড়াচ্ছে গুজব, উসকানি ও সংঘবদ্ধ হওয়ার বার্তা। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নাশকতা মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আশপাশে কয়েক স্তরের নিরাপত্তাবলয় রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে কেপিআইসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় টহল বাড়ানো হয়েছে। পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, সেনাবাহিনীসহ পোশাকধারী ও সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মাঠে থাকবে। এ ছাড়া সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে আগাম তথ্যকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
নিরাপত্তায় পুলিশের নির্দেশনা : পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা বলেন, বোমা হামলা, উসকানি, আগুনসন্ত্রাস ও ঝটিকা মিছিল প্রতিরোধে সারা দেশের পুলিশকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। রায় ঘিরে নাশকতা ঠেকাতে প্রতিদিনই জেলা এসপিদের কড়া নির্দেশনা অব্যাহত রাখা হয়েছে। জেলা ও উপজেলা শহর থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঢাকামুখী যাত্রা ঠেকাতে আগে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, সেটি বহাল রাখা হয়েছে। সেই সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নাশকতা প্রতিরোধে সদর দপ্তর সবসময় সজাগ দৃষ্টি রাখছে। সমাজমাধ্যমে ভীতি ছড়ানো হচ্ছে বেশি। এই চ্যালেঞ্জ উত্তরণে সাইবার ইউনিটগুলোকে প্রতিদিনই কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
নাশকতা ঠেকাতে মাঠে ডিএমপি ও র্যাব : রায়কে কেন্দ্র করে রাজধানীর নিরাপত্তার বিষয় জনতে চাইলে ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, শেখ হাসিনার রায় ঘিরে সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। নগরীর নাশকতা ঠেকাতে পুলিশের চেকপোস্ট জোরদার করা হবে। ফুট প্যাট্রোলিং ও মোবাইল প্যাট্রোলিং বাড়ানো হয়েছে। সার্বক্ষণিক গোয়েন্দা নজরদারি থাকবে সম্ভাব্য সব জায়গায়। রাজধানীর হোটেল, মেস ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বাসাবাড়িতেও রেড দেওয়া হবে। ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগ ঠেকাতে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ককটেল বানানোর কারিগরদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ১৩ নভেম্বর লকডাউন কর্মসূচি ঘিরে র্যাবের যেমন তৎপরতা ছিল, ১৭ নভেম্বর ঘিরেও একই ধরনের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। যারা অপরাধী বা নাশকতার চেষ্টা করছে, তারা চোরাগোপ্তা হামলা চালানোর চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। তাদের প্রতিহত করতে র্যাব সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে।
রাজধানীতে শনিবার রাত থেকে যেসব নাশকতা : গতকাল রবিবার সকাল ৮টা ৪০ এ রাজধানীর নিউ ইস্কাটন রোডের ওয়াক্ফ ভবনের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়েছে। এ ঘটনায় আবদুল বাসির (৫০) নামে এক পথচারী আহত হয়েছেন। আহত আবদুল বাসির বলেন, প্রতিদিনের মতো সকালে হেঁটে অফিসে যাচ্ছিলাম। ওয়াক্ফ ভবনের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ ককটেল বিস্ফোরিত হয়। আমার ধারণা, ওয়াকফ ভবনের সামনে দিয়ে যাওয়া উড়ালসড়কের ওপর থেকে ককটেলটি ছোড়া হয়েছে।
এর আগে শনিবার রাতে হাজারীবাগ থানার বেড়িবাঁধ রোডে শেখ ফজিলাতুন্নেসা কলেজের সামনে একটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাগুপ্তা এলাকা ও মেট্রো স্টেশনের নিচে পৃথক ঘটনায় চারটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। আগারগাঁওয়ের এডিবি ভবনের কাছে ও রাজধানীর বিমানবন্দর রেলস্টেশনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ছাড়া শনিবার সন্ধ্যায় হাতিরঝিল মধুবাগ সেতুতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে এসব ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
টার্গেট করা হচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক : শনিবার রাতে গাজীপুরের শ্রীপুরে গ্রামীণ ব্যাংকের একটি শাখা অফিসে দুর্বৃত্তরা পেট্রোল বোমা ছুড়ে মারে। এতে গ্রামীণ ব্যাংকের বাইরে সাইনবোর্ডের কিছু অংশ পুড়ে যায়। এ বিষয়ে শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহম্মদ আবদুল বারিক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশের টহল জোরদার থাকায় হামলাকারীরা বড় ধরনের কোনো নাশকতা ঘটাতে পারেনি। কারা এই হামলা চালিয়েছে বিষয়টির তদন্ত চলছে।
রবিবার ভোরে বগুড়ার শেরপুরে গ্রামীণ ব্যাংকের গাড়িদহ শাখায় আগুন দেওয়ার চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা। তবে এতে ব্যাংকের অবকাঠামোর বা অভ্যন্তরীণ কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। শুধু মূল ফটকের নামফলক কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ বিষয়ে শেরপুর থানার ওসি এস এম মঈনুদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থলে প্লাস্টিকের দুটি খালি বোতল পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, বোতলগুলো দাহ্য পদার্থ বহন করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এর আগে গত শুক্রবার রাতে ফরিদপুরের মধুখালীতে গ্রামীণ ব্যাংকে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে ব্যাংকের ভেতরে কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হলেও দরজার সামনে আগুনের ধোঁয়ায় কালো হয়ে গেছে। এ ঘটনায় মধুখালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
ঢাকার বাইরে নাশকতা : গতকাল ভোরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুরে গাছ কেটে ফেলে রেখে অবরোধ ও টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ বিষয়ে জানতে মাদারীপুরের ডাসার থানার ওসি শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম জানান, ডাসার থানা এলাকার ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ৭ থেকে ৮ টি স্থানে গাছ কেটে কেটে ফেলে রাখে দুষ্কৃতিকারীরা। তবে কোনো অবরোধ বা বিক্ষোভ করেনি, এমন কোনো কিছু দেখতে পাইনি।
শনিবার রাত ৩টায় ফেনীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। জুলাই যোদ্ধারা ও পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। স্থানীয় পুলিশ বলছে, রাতে হেলমেট পরিহিত একদল দুর্বৃত্ত এসে থানাসংলগ্ন এলাকার মুক্তবাজারে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে সটকে পড়ে।
রবিবার ভোরে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বলাকা পরিবহনের একটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি সৈয়দ মোহাম্মদ আক্তার হোসেন বলেন, সড়কের পাশে রাখা বাসটিতে ভোরে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। কে বা কারা বাসে আগুন দিয়েছে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
শনিবার রাত ১২টায় ময়মনসিংহ নগরীতে সড়কের পাশে পার্কিং করা একটি কাভার্ডভ্যানে অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা। ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, প্রাথমিকভাবে নাশকতার কোনো আলামত পাওয়া না গেলেও বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
শনিবার রাত ১টায় গাজীপুরের টঙ্গী পশ্চিম থানা এলাকা থেকে দুটি পেট্রোল বোমাসহ দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ জানায়, আটককৃতরা হাসিনার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য পেট্রোল ও পেট্রোল বোমা দিয়ে টঙ্গী এলাকায় যানবাহনে আগুন দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল।
উল্লেখ্য, আজ মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণা হবে। শেখ হাসিনা ছাড়াও অপর দুই আসামি হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। এর মধ্যে সাবেক আইজিপি মামুন রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন।
প্রতিবেদনটি তৈরিতে সহযোগিতা করেছেন দেশ রূপান্তরের গাজীপুর, বগুড়া, ফেনী, মাদারীপুর, ময়মনসিংহ ও ঢাকার কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি।
