সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের তালগাছীতে ইমদাদুল হক মিলন আত্মহত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। মৃত্যুর কারন নিহতের পায়ে লেখা ছিল। পুলিশ এ ঘটনায় আরো ২ জনকে আটক করেছে।
জানা যায়, গত ১৫ নভেম্বর সকালে উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের মাকড়কোলা গ্রামের বাসিন্দা ইমদাদুল হক সরকার মিলনের লাশ তালগাছী মহাসড়ক সংলগ্ন বালুর মধ্যে পড়ে ছিল পরে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। তবে নিহত ব্যক্তি গ্যাস ট্যাবলেট পান করে আত্মহত্যা করে এটা প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হয়। এদিকে নিহতের বাম পায়ে লিটন, সেলিম, আবুল বাশার ও মিন্টুর নাম লাল কালিতে লেখা ছিল।
নিহতের স্ত্রী রীমা খাতুন সাংবাদিকের জানান, আমার স্বামী চড়া সুদে তাদের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়েছিল। ২০ হাজার টাকার সুদ হয়ে দাঁড়ায় সাড়ে তিন লাখ টাকা। ১৪ নভেম্বর আমার স্বামীকে টাকার জন্য ভীষণ চাপ প্রয়োগ করে সুদখোররা। অতিরিক্ত সুদের চাপই তাকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেয় ।
শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আছলাম আলী সেদিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, টাকা দিতে না পারায় সে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়, তবে সে গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে এবং তার স্ত্রীর কাছ থেকে মাপ চেয়ে নেয়। এরপর সে মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেয়। শনিবার ভোরে তার লাশ তালগাছী বালুর মধ্যে পাওয়া যায়।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. আব্দুল খালেক জানান, নিহতের স্ত্রী রীমা খাতুন তালাগাছী গ্রামের লিটন, সেলিম, আবুল বাশার, মিন্টুসহ ৪ জন নামীয় ও অজ্ঞাতনামা আসামি আত্মহত্যার প্ররোচনা করায় মামলা দায়ের করেন। আমরা ইতিমধ্যে আবুল বাশার (৪৫) ও মিন্টুকে (৫০) আটক করেছি।
স্থানীয় এলাকাবাসী দাবি, এলাকায় সুদখোরদের অত্যাচারে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। প্রায় ঘটছে এ ধরনের ঘটনা।
মুশফিকের শততম টেস্ট নিয়ে যা বললেন সাবেক দুই কোচ
৪০ হাজার বডি অন ক্যামেরা কেনা হচ্ছে না