নোয়াখালীর হাতিয়ায় দিনে দুপুরে খরিদকৃত জমির পাকা ধান কেটে নেওয়া, মারধর ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় জমির মালিক নুর ইসলাম থানায় লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশ জমির ধান থানার জিম্মায় নিয়ে নেন।
মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সকালে হাতিয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চরলটিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চরলটিয়া এলাকার মো. নুর ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে তার খরিদকৃত জমি ভোগদখলে রেখে কৃষিকাজ করে আসছেন।
স্থানীয় জুলফিকার আলী, মনির উদ্দিন, মোছলেহ উদ্দিন, নিশন, রাজুসহ আরও ৭/৮ জন সন্ত্রাসী কায়দায় জমি দখলের চেষ্টা এবং নিয়মিত চাঁদা দাবি করে আসছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় অভিযুক্তরা তাকে ও তার পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেয়।
ঘটনার দিন সকালে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে তার জমিতে প্রবেশ করে পাকা ধান কেটে নিয়ে যায়। বাধা দিতে গেলে তাকে ও পরিবারের সদস্যদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং কিল ঘুষি মেরে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় । পরে অভিযুক্তরা সন্ত্রাসী কায়দায় সমস্ত ধান কেটে নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী নুর ইসলাম বলেন, আমি ২০১৩ সালে জমিটি খরিদ করি। নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করি এবং ভোগদখলে আছি। কোনো মালিকানা না থাকা সত্ত্বেও তারা জোর করে জমি দখলের চেষ্টা করছে।
অভিযুক্ত জুলফিকার আলীর সাথে মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও ফোন না ধরায় সাংবাদিকেরা তার সাথ কথা বলতে পারেনি।
অভিযোগের বিষয়ে হাতিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম আজমল হুদা বলেন, অভিযোগ পেয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
