উত্তর-পূর্ব ভারতের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত তুলনামূলক আগেভাগে হয়। সেই বাস্তবতা মেনে নিয়েই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে গুয়াহাটি টেস্ট শুরুর সময় বদলে গেছে। স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে টস। প্রথম সেশনের মাঝেই চা বিরতি এবং তারপর লাঞ্চ ব্রেক। সময়সূচির এই উলটপালট ভারতীয় ক্রিকেটারদের খুব একটা ভাবাচ্ছে না।
সূর্যাস্ত তাড়াতাড়ি হওয়ায় দিনের আলো সর্বোচ্চ ব্যবহার করতেই সময়সূচিতে পরিবর্তন আনতে হয়েছে। ভারতীয় ব্যাটার সাই সুদর্শন তো এ নিয়ে রসিকতাও করলেন। তিনি বলেন, ‘লাঞ্চের আগে চা খেতে আমার কোনো সমস্যা নেই। আসলে আমি তো লাঞ্চের সময়ও চা খাই! তাই আরও উপভোগ করব। নতুন হলেও এটা নিয়ে অস্বস্তি নেই। অভ্যস্ত হয়ে যাব।’
পূর্ব ভারতে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত তাড়াতাড়ি হয়। সেই কারণেই এই অভিনব নিয়ম রাখা হয়েছে গুয়াহাটি টেস্টে। গুয়াহাটির বর্ষাপাড়া স্টেডিয়ামে সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত চলবে প্রথম সেশন। এর পরে ১১টা থেকে ১১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত টি-ব্রেক। দ্বিতীয় সেশন চলবে সকাল ১১টা ২০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত। লাঞ্চব্রেক হবে দুপুর ১টা ২০ মিনিট থেকে ২টা পর্যন্ত। তৃতীয় সেশন চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
উত্তর-পূর্ব ভারতের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক ম্যাচ। টেস্টে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকা ইতোমধ্যেই কলকাতা টেস্ট জিতে সিরিজে এগিয়ে গেছে। সিরিজে সমতা ফেরাতে ভারত মরিয়া হয়ে আছে বলে জানালেন পেসার মোহাম্মদ সিরাজ, ‘ভালো দলের বিপক্ষে খেললে বোঝা যায় নিজের ভুল কোথায়। তাদের ব্যাটসম্যানদের আউট করতে পারলে আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়ে। দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দলের বিপক্ষে খেলতে ভালোই লাগছে।’
অন্যদিকে প্রোটিয়ারাও মানিয়ে নিচ্ছেন নতুন সময়সূচি। দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিনার কেশভ মহারাজ জানান, ‘আমরা কয়েকদিন আগে বিষয়টা শুনেছি। বুঝতে পেরেছি যে, আলোর তারতম্যের কারণে সময় এটা করতে হয়েছে। নিয়ম মানতেই হবে। আমরা নিজেদের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে চাই।’ তবে এইডেন মারক্রাম খুব একটা খুশি হতে পারেননি, ‘আমি সত্যি বলতে এমন সময়সূচির ভক্ত নই। টেস্ট ক্রিকেট মানেই সকাল ১০টায় শুরু, তারপর লাঞ্চ, পরে চা—এটাই হওয়া উচিত। তবে যা আছে, তাই মানিয়ে নিতে হবে।’
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির লড়াইয়ে সাকিবকে ছুঁলেন তাইজুল
ফলোঅন করায়নি বাংলাদেশ; মুশফিকের সামনে জোড়া সেঞ্চুরির সুযোগ
স্মৃতি মান্ধানা–পলাশ দম্পতিকে নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছা