জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় ২৮ জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই সেনা কর্মকর্তাসহ (তখন বিজিবিতে কর্মরত) চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন-সংক্রান্ত শুনানির জন্য ৪ ডিসেম্বর ধার্য করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল-১ এ আদেশ দেয়। চার আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার দুজন হলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম ও মেজর মো. রাফাত-বিন-আলম। অন্য দুই আসামি পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম ও সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান।
গতকাল কর্নেল রেদোয়ানুল ও মেজর রাফাতকে ট্রাইব্যুনালের কাটগড়ায় হাজির করা হয়। এ সময় তাদের পক্ষে আইনজীবী মাসুদ সালাউদ্দিন এ মামলায় পরবর্তী ধার্য তারিখ থেকে দুই আসামিকে ভার্চুয়ালি হাজিরের আবেদন করেন।
আদালত এই আবেদনের ওপরও ওইদিন (৪ ডিসেম্বর) শুনানির দিন ধার্য করে। পাশাপাশি পলাতক দুই আসামির পক্ষে একজন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী (স্টেট ডিফেন্স কাউন্সেল) নিযুক্ত করার সিদ্ধান্ত দেয় ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মোহাম্মদ মিজানুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি বলে প্রতিবেদন উপস্থাপন হয়েছে। চারজনের বিষয়ে চার্জ হেয়ারিংয়ের (অভিযোগ গঠনের শুনানি) জন্য ৪ ডিসেম্বর ধার্য হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘দুজন আর্মি অফিসারের বিষয়ে একটি দরখাস্ত (ভার্চুয়াল হাজিরা) দেওয়া হয়েছিল। যদিও আজকে (গতকাল) শুনানি করেননি। এটা মঞ্জুর করার মতো কোনো অবস্থা আমাদের দৃষ্টিতে বিবেচনাযোগ্য মনে হয়নি। এ বিষয়ে শুনানি মুলতবি করা হয়েছে।’
