ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সাত বছর বয়সী জায়ান রহমান হত্যাকাণ্ডে এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছিল। ঘটনার পাঁচ দিন পর পুলিশ রশির সূত্র ধরে প্রতিবেশী ইউনুচ মোল্যাকে গ্রেপ্তার করেছে।
মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় তাকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে সোমবার নিজ বাড়ি থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আলফাডাঙ্গা থানা পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।
গ্রেপ্তার ইউনুচ মোল্যা আলফাডাঙ্গা উপজেলার পাকুড়িয়া গ্রামের মৃত মনির উদ্দিন মোল্যার ছেলে।
আলফাডাঙ্গা থানা সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে পাকুড়িয়া গ্রামের গ্রীসপ্রবাসী পলাশ মোল্যার ছেলে জায়ান রহমানের ঝুলন্ত মরদেহ বাড়ির পাশের বাগান থেকে উদ্ধার করা হয়।
এরপর নিহতের মা সিনথিয়া বেগম অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তে শিশুটির ঝুলন্ত রশি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে সামনে আসে। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, পার্শ্ববর্তী টাবনী বাজারের একটি মুদি দোকান থেকে ঘটনার প্রায় ১০–১৫ দিন আগে ইউনুচ মোল্যা একটি রশি কিনেছিলেন, যা উদ্ধার হওয়া রশির সঙ্গে মিল পাওয়া যায়।
এই তথ্যের ভিত্তিতে তাকে সন্দেহভাজন তালিকায় এনে হেফাজতে নেওয়া হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি রশি কেনার বিষয়টি অস্বীকার করেন।
পুলিশের দাবি, এই অস্বীকার তাদের সন্দেহকে আরও জোরদার করেছে। রিমান্ডে নিলে হত্যার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটিত হবে বলে মনে করছে পুলিশ।
আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজালাল আলম বলেন, “ঘটনার সঙ্গে কিছুটা সম্পৃক্ততা এবং রশি কেনা নিয়ে মিথ্যা বলার কারণে আমরা তাকে সন্দেহ করি।
এরপর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।”
