আবারও প্রার্থী পরিবর্তন করল জামায়াত

আপডেট : ০২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:৩৯ পিএম

হবিগঞ্জ-৪ আসনের পর এবার লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনেও প্রার্থী পরিবর্তন করেছে জামায়াতে ইসলামী। 

রংপুর মহানগর ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি হারুন অর রশীদকে বসিয়ে এ আসনে প্রার্থী করা হয়েছে লালমনিরহাট জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট আবু তাহেরকে। 

সাবেক ছাত্রনেতা দীর্ঘ ছয় বছর লালমনিরহাট ও রংপুর জেলা শিবিরের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। পেশাগত জীবনে লালমনিরহাট জজ কোটের আইনজীবী তিনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, আসনটিতে প্রার্থী পরিবর্তন করে নতুন প্রার্থীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে, তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। আমরা শীঘ্রই আনুষ্ঠানিকভাবে জানাব।

ওই আসনের পূর্বঘোষিত প্রার্থী হারুন অর রশীদ জানান, তার সন্তান দীর্ঘদিন যাবৎ অসুস্থ থাকায় তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন। 

তিনি বলেন, সন্তানের উন্নত চিকিৎসায় বিদেশেও যেতে হতে পারে। এজন্য নির্বাচনী আসনে আমি সময় দিতে পারছি না। বিষয়টি আামি দলকে জানিয়েছি। এরপরই প্রার্থী পরিবর্তনের আলোচনা হয়েছে।

জানা গেছে, বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবীব দুলু এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। 

তিনি ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবু সালেহ মোহাম্মদ সাঈদকে হারিয়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। 

চার দলীয় ঐক্য জোট সরকারের আমলে যোগাযোগ উপমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন দুলু। তার বাবার নামে প্রতিষ্ঠিত শহীদ আবুল কাশেম কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ তিনি।

জানা গেছে, লালমনিরহাট-৩ আসনে দলের অতীত রেকর্ড খুব আশাব্যঞ্জক নয়। নব্বই পরবর্তী সময়ে শুধু ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম এবং ১৯৯৬ সালের জুন মাসে অনুষ্ঠিত সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল দলটি। 

ওই দুই নির্বাচনে দলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মোশারফ হোসেন খন্দকার। দুইবারই যথাক্রমে ৩৫০৫ ও ১৮২৯ ভোট পেয়ে চতুর্থ হন এই প্রার্থী। 

পরবর্তী নির্বাচনগুলোতে জোটসঙ্গী বিএনপিকে এ আসনটি ছেড়ে দেয় জামায়াত। জোটের প্রার্থী অধ্যক্ষ দুলুর হয়ে কাজ করেন দলটির নেতাকর্মীরা। এবার তিনিই হচ্ছেন জামায়াতের প্রতিপক্ষ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত