হালান্ডের ‘সেঞ্চুরি’ এমবাপ্পের গোল উৎসব; আরও যত চমকপ্রদ রেকর্ড

আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:০৮ এএম

ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোতে এখন দারুণ উপচে পড়েছে উত্তেজনা। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, স্প্যানিশ লা লিগা ও জার্মান ডিএফবি-পোকালের ম্যাচগুলোতে একের পর এক রেকর্ড ও চমকপ্রদ পরিসংখ্যান সামনে এসেছে। এক নজরে সেসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হলো পাঠকদের জন্য।

প্রিমিয়ার লিগ: হালান্ডের ইতিহাস, আর্সেনালের দাপট

লন্ডনের ক্লাব আর্সেনাল ব্রেন্টফোর্ডকে হারিয়ে শীর্ষে পাঁচ পয়েন্টের লিড ধরে রেখেছে। অন্যদিকে চেলসি অপ্রত্যাশিতভাবে লিডস ইউনাইটেডের কাছে হেরে গেছে। ফুলহামের মাঠে রোমাঞ্চকর ৫–৪ জয়ে আলো ছড়ায় ম্যানচেস্টার সিটি।

আর্লিং হালান্ড মাত্র ১১১ ম্যাচে ১০০ গোল করে প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে দ্রুততম ‘সেঞ্চুরিয়ান’। ভেঙেছেন অ্যালান শিয়ারারের রেকর্ড।

ফিল ফোডেন টানা দুই ম্যাচে ২ বা ততোধিক গোল করেছেন এই মৌসুমে তৃতীয়বার।

লিডসের হয়ে ডমিনিক ক্যালভার্ট-লুইনের গোলের এক্সজি ছিল ০.৯৯১৩—২০০৮ সালের পর ষষ্ঠ সর্বোচ্চ।

ফুলহাম–ম্যান সিটির ৫–৪ ম্যাচটি ক্র্যাভেন কটেজের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলসমৃদ্ধ ম্যাচ।

মিকেল মেরিনো চলতি বছর সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে আর্সেনালের সর্বোচ্চ গোলদাতা—১৩ গোল।

বোর্নমাউথ টানা ৫ ম্যাচে জয়হীন।

লা লিগা: এমবাপ্পের গোল উৎসব, রিয়ালের শততম জয়

রিয়াল মাদ্রিদ অ্যাথলেটিক বিলবাওকে ৩–০ গোলে হারিয়ে জয়ে ফিরেছে। শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা, যারা আতলেতিকো মাদ্রিদকে ৩–১ গোলে হারিয়েছে।

কিলিয়ান এমবাপ্পে একাই রিয়াল মাদ্রিদের মোট গোলের ৫৭ শতাংশ করেছেন (৪৪ গোলের মধ্যে ২৫টি)।

এই মৌসুমে আতলেতিকো মাদ্রিদ ১৫ ম্যাচেই প্রথম গোলটি করেছে—ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে সেরা।

আতলেতিকো টানা ১৭ ম্যাচে গোল করেছে।

জান ওব্লাক বার্সেলোনার বিপক্ষে টানা ৭ ম্যাচ ক্লিনশিট রাখতে ব্যর্থ।

রিয়াল মাদ্রিদের এটি ছিল বিলবাওয়ের বিপক্ষে লা লিগায় ১০০তম জয়।

ডিএফবি-পোকাল: লেভারকুজেনের ধারাবাহিকতা, কেইনের গোলবন্যা

বায়ার লেভারকুজেন ১–০ গোলে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে।

হ্যারি কেইন এই আসরে ৫ গোল করে শীর্ষ গোলদাতা।

বায়ার্ন মিউনিখ টানা ১০টি অ্যাওয়ে কাপ ম্যাচে গোল করেছে।

ইউনিয়ন বার্লিন একই অর্ধে দুটি আত্মঘাতী গোল করা ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের প্রথম দল।

১৬ বছর ১২৮ দিনে গোল করে হার্থা বার্লিনের কেনেত আইখহর্ন হয়েছেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ডিএফবি-পোকালের সবচেয়ে কম বয়সী গোলদাতা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত