গাজীপুরের শ্রীপুরে একই রাতে পৃথক দুটি স্থানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৩টি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানসহ ৯টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) ভোরে পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চন্নপাড়া গ্রামে মাওনা চৌরাস্তার ব্যবসায়ী মনির হোসেনের ভাড়া দেওয়া বসতবাড়ির ৯টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এসব ঘরে বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা ভাড়ায় থাকতেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দুই ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে সব পুড়ে ছাই। তবে এ অগ্নিকাণ্ডে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর দাবি দুটি অগ্নিকাণ্ডে অন্তত কোটি টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান- ভোররাতে একটি কক্ষ থেকে আগুনের ধোয়া উড়তে দেখা যায়। এর পর ডাকাডাকি শুরু করলে সবাই ঘর থেকে বের হয়ে আসেন। তবে এরি মধ্যে আগুন চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। একসময় একই সারিতে থাকা ৯টি বসতঘর পুড়ে যায়। এতে ওইসব ঘরের আসবাবপত্র, কাপড়চোপড় ও ইলেকট্রনিক্স জিনিপত্রসহ প্রয়োজনীয় মালামাল পুড়ে যায়।
অন্যদিকে, একই রাত আড়াইটা দিকে উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের জয়নতলী উত্তরপাড়া এলাকায় আবদুস সালামের ৩টি দোকানে আগুন লাগে। এ সময় একটি ঘরও পুড়ে যায়। আগুনে একটি মুদি দোকান, তুলার গোডাউন, একটি অটোরিকশা এবং পাশের বসতঘরের সব মালামাল পুড়ে যায়।
মালিক আবদুস সালামের দাবি অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন এক রাতেই সব শেষ হয়ে গেছে। দোকান, ঘর আর অটোরিকশা সব পুড়ে ছাই। একেবারে পথের ফকির হয়ে গেছি।
শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর নুরুল করিম বলেন, পৌরসভার চন্নপাড়া এলাকায় মনির হোসেনের ভাড়া বাসায় অগ্নিকাণ্ডে ৯টি বসতঘর পুড়ে গেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস আগুন নেভাতে কাজশুরু করেন। অন্যদিকে জয়নাতলীতে আরও একটি অগ্নিকাণ্ডে দোকান ও ঘর পুড়ে গেছে। আগুনের সূত্রপাত এখনো জানা যায়নি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। খবর পেয়ে দ্রুত সময়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন ।
ইতিহাসের রেকর্ড তুষারপাত, বরফে ঢেকেছে সৌদির মরুভূমি