গাইবান্ধায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

আপডেট : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:০৪ পিএম

সারা দেশে মব সন্ত্রাস সৃষ্টি করে নির্বাচন বানচাল ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত, সকল হত্যাকান্ডের বিচার, গণমাধ্যাম ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের উপর হামলার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। 

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের আয়োজনে গানাসাস মার্কেটের সামনে এই র্কমসুচি পালিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের জেলা সমন্বয়ক বাসদ মার্কসবাদী নেতা কাজী আবু রাহেন শফিউল্লা। 

সমাবেশে বক্তব্য দেন, কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য ও গাইবান্ধা-২ আসনের এমপি প্রার্থী মিহির ঘোষ, বাসদ জেলা কমিটির সদস্য সচিব সুকুমার মোদক, নারী মুক্তি কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরমের আহবায়ক ইশরাত জাহান লিপি, যুব ইউনিয়ন জেলা সাধারণ সম্পাদক রানু সরকার, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের জেলা সভাপতি কামরুল হাসান বসুনিয়া, ছাত্র ইউনিয়ন জেলা সভাপতি ওয়ারেছ সরকার, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের জেলা সভাপতি রাহেলা সিদ্দিকা, রবিদাস ফোরামের জেলা সাধারণ সম্পাদক খিলন রবিদাস প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, যখন নির্বাচন আসন্ন তখন দেশের বৃহৎ গণমাধ্যম প্রথম আলো, ডেইলি স্টার আক্রান্ত, সুস্থধারার সাংস্কৃতিক চর্চার বৃহৎ সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট, উদীচী আক্রান্ত। একটি সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়ে এ হামলা করেছে। সরকার প্রশাসন নির্বিকার দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। এর থেকে এটাই প্রমাণ করে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী সরকারের সাথে যোগসাজশে নির্বাচন বানচাল ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চক্রান্ত করছে। তারা এ চক্রান্ত রুখে দেয়ার জন্য দেশবাসীর নিকট আহ্বান জানান। 

সেই সাথে ময়মনসিংহের ভালুকায় সংখ্যালঘু যুবককে নৃশংসভাবে পুড়িয়ে হত্যার সাথে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার দাবি করেন। দেশে সংঘঠিত সকল হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ১নং রেল গেইটে এসে শেষ হয়। এতে রাজনৈতিক দল, গণসংগঠন, সামাজিক সাংস্কৃতিক আন্দোলনের ব্যক্তিবর্গ, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত