সাবেক মেজর সাদিকুল ও তার স্ত্রী রিমান্ডে   

আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:৫২ এএম

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গেরিলা প্রশিক্ষণের অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় চাকরিচ্যুত সাবেক মেজর মো. সাদিকুল হক ও তার স্ত্রী সুমাইয়া তাহমিদ জাফরিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

পৃথক দুই মামলায় গতকাল সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাত উভয়ের পাঁচ দিন করে রিমান্ডের আদেশ দেন। এর মধ্যে ভাটার থানার মামলার আসামি সাদিকুল। সুমাইয়াকে আসামি করা হয়েছে গুলশান থানার মামলায়।

সাদিকুলের রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, সামরিক আদালত থেকে গত ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত করে মেজর সাদিককে তিন মাসের কারাদ- প্রদান করে ঢাকা কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি এ মামলার জড়িত সন্দেহভাজন আসামি।

সেনাবাহিনীতে চাকরি করা অবস্থায় গত ৩ এবং ৮ জুলাই সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দিনব্যাপী ভাটারা এলাকায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগকে একত্রিত করে গোপন সভা করে।

এর মাধ্যমে দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরির আলোচনা এবং প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে মেজর সাদিক প্রধান প্রশিক্ষক এবং কানেক্টরের ভূমিকায় থেকে স্ত্রী সুমাইয়া জাফরিনসহ তার ফ্ল্যাট বাসায় একাধিকবার এ ধরনের গোপন প্রশিক্ষণ/ওয়ার্কশপ করেছিল।

তিনি ঘটনাস্থলে সশরীরে উপস্থিত থেকে সেখানে উপস্থিত আওয়ামী লীগ, যার কার্যক্রম বর্তমানে স্থগিত ও নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০০-৪০০ জন নেতাকর্মীসহ প্রশিক্ষণ প্রদান এবং অনুষ্ঠানে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন মর্মে সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।

সুমাইয়া তাহমিদ জাফরিনের রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামি দেশের সার্বভৌমত্ব ও দেশের মানুষের নিরাপত্তা বিঘœ ঘটানো ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির প্রয়াসে একটি নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের অর্থ জোগানদাতা, পরামর্শদাতা ও নির্দেশদাতা হিসেবে সক্রিয়ভাবে দেশবিরোধী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত