বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘শ্রমিক ইশতেহার শুধু রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে হস্তান্তরেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; এটি মাঠপর্যায়ে শ্রমিকদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হবে এবং জাতীয় পর্যায়ে নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে ধারাবাহিক লবি ও অ্যাডভোকেসি চালানো হবে। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ও কল্যাণকে একটি জাতীয় ইস্যু হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই অ্যালায়েন্সের লক্ষ্য।’
গতকাল বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নজরুল এ কথা বলেন। এ সময় অ্যালায়েন্সের পক্ষ থেকে উত্থাপিত ১৫ দফা শ্রমিক ইশতেহার উপস্থাপন করেন সংগঠনটির সদস্য সচিব ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস)-এর নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদ।
সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদ বলেন, ‘সব আন্দোলনে শ্রমিকরা রক্ত দেন, সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন, কিন্তু পরিবর্তনের পর তাদের কথা ভুলে যাওয়া হয়। তিনি জাতীয় ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ, মজুরি বৈষম্য বিলোপ এবং শ্রমিকের জন্য সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন এবং রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতি শ্রমিক অধিকারকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান।’ অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক ও বিলস মহাসচিব নজরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন অ্যালায়েন্সের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও জাতীয় শ্রমিক জোটের সভাপতি মেসবাহউদ্দীন আহমেদ, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের যুগ্ম সমন্বয়কারী আব্দুল কাদের হাওলাদার প্রমুখ।
