দক্ষিণ আফ্রিকার জনপ্রিয় টি-টোয়েন্টি লিগ এসএটোয়েন্টিতে পার্ল রয়্যালস ও প্রিটোরিয়া ক্যাপিটালসের মধ্যকার ম্যাচ চলাকালেই স্টেডিয়ামের বাইরে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। তবে সৌভাগ্যবশত এই অগ্নিকাণ্ডে খেলা ব্যাহত হয়নি এবং কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া যায়নি।
শনিবার বোল্যান্ড পার্কে অনুষ্ঠিত ম্যাচে পার্ল রয়্যালসের রান তাড়া শুরু হওয়ার চতুর্থ ওভারের সময় স্টেডিয়ামের পশ্চিম পাশের পার্কিং লটে আগুন দেখা যায়। আগুনটি দ্রুত নজরে এলেও তা মাঠের ভেতরে ছড়িয়ে পড়েনি। সপ্তম ওভারের মধ্যেই ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।
কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দর্শকদের মাঠ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়নি। তবে অনেক দর্শক নিজেদের গাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাময়িকভাবে স্টেডিয়াম ত্যাগ করেন। আগুন নেভানোর সময় পুরো মাঠজুড়ে ধোঁয়ার কুয়াশা ছড়িয়ে পড়ে, যা ম্যাচ শুরুর আগেই পাশের পাহাড়ি এলাকায় চলমান দাবানলের কারণে বিদ্যমান ছিল।
পার্ল রয়্যালসের সহকারী কোচ রিচার্ড দাস নেভেস বলেন, ‘আমরা আগুনটি লক্ষ্য করেছি। গত এক সপ্তাহে আমাদের আবাসিক এলাকার আশপাশে কয়েকটি আগুনের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি খারাপ হলে ডিএলএস পদ্ধতির কথা ভাবছিলাম। তবে এখানকার দমকল বাহিনী খুবই দক্ষ।’
ম্যাচ শেষে প্রিটোরিয়া ক্যাপিটালসের অধিনায়ক কেশব মহারাজ বলেন, ‘পার্কিং লটে আগুন লেগেছিল সেটা জানতাম না। মাঠে অনেক ধোঁয়া ছিল, তাই ভেবেছিলাম সেটা দূরের দাবানল থেকেই আসছে। গরমও ছিল প্রচণ্ড।’
উল্লেখ্য, গত বুধবার থেকে পার্শ্ববর্তী শহর ফ্রানশহুকে ভয়াবহ দাবানল শুরু হয়, যা প্রবল বাতাস ও শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রভাবেই বোল্যান্ড পার্ক ম্যাচের শুরু থেকেই ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন ছিল এবং ইনিংস বিরতির সময় পুরো মাঠ ধোঁয়ায় ঢেকে যায়।
দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়েস্টার্ন কেপ অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে দাবানল বেশ স্বাভাবিক ঘটনা। প্রতিবছর হাজার হাজার হেক্টর বনভূমি পুড়ে গেলেও সাধারণত প্রাণহানি বা বড় ধরনের সম্পদের ক্ষতি হয় না। ক্রিকেটাঙ্গনে এর আগেও এমন ঘটনা উদ্বেগ তৈরি করলেও বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
সালাহর ম্যাজিকে সেমিফাইনালে মিসর
এফএ কাপে ম্যানসিটির গোলবন্যা: ক্লাবে এসেই ম্যাকএডুর গোল