পঞ্চগড়ে শহীদ ওসমান হাদীর হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধে লাঠিচার্জের ঘটনায় আহতদের হাসপাতালে দেখতে যান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা ও এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) রাতে জেলা প্রশাসক কাজী সায়েমুজ্জামান, পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম, সিভিল সার্জনসহ প্রশাসনের সকল কর্মকর্তারা হাসপাতালে যান। পরে জেলা জামায়াতের আমির ইকবাল হোসাইনসহ অন্য রাজনৈতিক নেতারাও আহতদের দেখতে যান। তারা তাদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং ঘটনার বিস্তারিত শুনেন।
পরে সারজিস আলম সংবাদকর্মীদের বলেন, আমাদের ভাই শহীদ ওসমান হাদীর হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি শেষ করেছিল। সেখানে সেনাবাহিনীর সদস্যরা, কার নির্শনায় হামলা করেছে সেটা বের করতে হবে। একটি শৃঙ্খলা বাহিনীর এমন কাজ কেন করলো, দোষীদের বের করতে হবে। তা নাহলে ছাত্র জনতা ছাপ থাকবে না।
জেলা প্রশাসক কাজী সায়েমুজ্জামানের বলেন, আমরা আর্মির কাছে শুনেছি, তারা জন দুর্ভোগ কমাতে সড়ক থেকে তাদের সরিয়ে দিতে কেউ হয় আঘাত পেয়েছে। আর ছাত্ররা বলেছেন, লাঠিচার্জে তারা আহত হয়েছেন। আমরা সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলবো। বিষয়টি নিয়ে কথা বলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ঘটনার প্রতিবাদে রবিবার রাতে বাংলাদেশ পন্থী শিক্ষার্থীর ডাকে আবারও জেলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্র জনতা। এতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। পরে তারা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সামনে বিক্ষোভ করে।
এর আগে বিকেলে শহীদ ওসমান হাদীর হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ চলাকালীন লাঠিচার্জে আহত ২৩ জনকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।।
নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ঢাকায় আসছেন সন্ধ্যায়