কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে গভীর রাতে মহিমা বেগমের গলাকাটা মরদেহ ঘর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে ঘরের ভেতর মহিমা বেগমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে হতভম্ব হয়ে যান স্থানীয়রা। পুলিশকে খবর দিলে, তারা এসে মরদেহ উদ্ধার করেন। তিনি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের বানিয়ার ভিটা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, নিহত মহিমা বেগম ও তার স্বামী বাবলু মিয়ার মধ্যে কোনো প্রকাশ বিরোধ বা কলহ চোখে পড়েনি। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী বাবলু মিয়া ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে।
নাগেশ্বরী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লা হিল জামান জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ এবং পলাতক স্বামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।