সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ সঠিক নয়। শিগগিরই ফল প্রকাশ করা হবে। গতকাল সোমবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবু নূর মো. শামসুজ্জামান ও পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের পরিচালক এ কে মোহম্মদ সামছুল আহসান গণমাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, চাকরিপ্রার্থীরা অভিযোগ তুলেছেন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে অনুসন্ধান করা হয়েছে। খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। তবে এর কোনো ‘বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ’ পাওয়া যায়নি। ফলে এ পরীক্ষা বাতিল হচ্ছে না। এখন পুরোদমে ফল প্রস্তুতের কাজ চলছে। শিগগির ফল প্রকাশ করা হবে।
গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় (পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলা বাদে) একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন প্রায় পৌনে ১১ লাখ চাকরিপ্রার্থী। এ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে জালিয়াতির ঘটনায় ২০৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এরপর প্রশ্নফাঁস, জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে এ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন একদল চাকরিপ্রত্যাশী। গত রবিবার তারা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগ তদন্ত করার আশ্বাস দেন অধিদপ্তরের ডিজি।
তদন্তের ঘোষণা দেওয়ার পরদিনই প্রশ্নফাঁসের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ মেলেনি বলে জানিয়েছেন ডিজি আবু নূর মো. শামসুজ্জামান। তিনি জানান, পরীক্ষার পর থেকে প্রশ্নফাঁসের যেসব অভিযোগ আমরা পেয়েছি, সেগুলোর সঙ্গে মূল প্রশ্নের কোনো মিল নেই।
