পটুয়াখালীর দুমকিতে ক্রমবর্ধমান অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি মোকাবিলায় দ্রুত একটি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন স্থাপনের দাবি উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ফায়ার স্টেশন না থাকায় আগুন লাগলে সময়মতো উদ্ধার ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুরু করা যাচ্ছে না, এতে ক্ষয়ক্ষতি বেড়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দুমকিতে নিজস্ব কোনও ফায়ার সার্ভিস ইউনিট না থাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১৭ কিলোমিটার দূরত্বে পটুয়াখালী সদর কিংবা পার্শ্ববর্তী উপজেলা থেকে দমকল ইউনিট আসতে হয়। দূরত্ব ও সময়ের কারণে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে বিলম্ব হয়, ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণের আগেই বড় ধরনের ক্ষতি হয়।
সম্প্রতি উপজেলা শহরের নূতন বাজার এলাকায় খোরশেদ চাচার ভাতের হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মালামলসহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। গত কয়েক বছরে পিরতলা বাজারসহ প্রত্যন্ত এলাকায় বসতঘর ও কৃষিপণ্য সংরক্ষণাগার, খড়ের গাদায় একাধিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় দোকানপাট, ঘরবাড়ি ও ফসল পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বহু মানুষ। ১৭ কিলোমিটার দূরত্বের জেলা শহর পটুয়াখালী থেকে ফায়ার সার্ভিস টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছতে ৩০/৪০ মিনিট সময় লাগে। ততক্ষণে সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
পিতলা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. বশির উদ্দিন বলেন, উপজেলা শহর, দক্ষিণাঞ্চলের সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহন আশপাশের এলাকায় জনসংখ্যা ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম বাড়ছে, কিন্তু আগুন নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নেই। একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন হলে জরুরি সাড়া দ্রুত পাওয়া যাবে এবং প্রাণ ও সম্পদ রক্ষা সহজ হবে।
দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. ফরিদা সুলতানা বলেন, এখানে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নেই এটুকু শুধু জেনেছি। তবে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন কার্যক্রম ও অগ্রগতির বিষয় এখনও আমার জানা হয়নি। বিষয়টি ভালোভাবে জেনে জানানো হবে।
