বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আইনবিষয়ক সম্পাদক ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কায়সার কামাল বলেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন সর্বপ্রথম নারী বন্দী। স্বাধীনতার পর যখন সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্ন এসেছে, তখনও তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বলেছিলেন, ‘ওদের হাতে গোলামির শৃঙ্খল, আর আমার হাতে স্বাধীনতার পতাকা।’ সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবেই বেগম খালেদা জিয়া ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকালে কলমাকান্দা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কলমাকান্দা বাজারের সর্বস্তরের ব্যবসায়ীবৃন্দের আয়োজনে এ দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই কথা বলেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, দেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ—এই বিশ্বাসে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ। দেশের প্রতি তার যে মমত্ববোধ, তা আজকের রাজনীতিবিদ ও নেতাকর্মীদের জন্য অনুসরণীয়।
কায়সার কামাল আরও বলেন, আপস করলে তিনি বিলাসী জীবন বেছে নিতে পারতেন, কিন্তু দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষার প্রশ্নে তিনি কখনো আপস করেননি। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি আজীবন অবিচল ছিলেন।
দোয়া মাহফিলে কলমাকান্দা বাজারের সকল ব্যবসায়ীর পক্ষে মোনাজাত পরিচালনা করেন কলমাকান্দা থানা জামে মসজিদের খতিব মুফতি মো. মামুনুর রশিদ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি এম আলমগীর তালুকদার, সদস্য সচিব সেলিম রেজা, সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব জহিরুল ইসলাম মোস্তফা, হাফেজ সবুজ, হাফেজ আ. মালেক, তোফাজ্জল হোসেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুস ছালাম কেরন, মাওলানা রহুল আমিনসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং বাজারের সর্বস্তরের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।
দোয়া মাহফিলে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং দেশের শান্তি, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
