পাবনায় পোস্টাল ব্যালটে ব্যাপক সাড়া

আপডেট : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:৫৬ এএম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনার পাঁচটি আসনে ১১২ কারাবন্দি ও সাড়ে ৬ হাজার প্রবাসীসহ প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার ভোঠার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন। তবে এ ব্যবস্থায় সবচেয়ে ভোটার দেখা গেছে সরকারি চাকরিজীবী। আবেদন বা রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখ গত ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত জেলার ১৯ হাজার ৯৩ জন পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে আবেদন করলেও ১৮ হাজার ৪৯৮ জন ভোটারের আবেদন অনুমোদন করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, ৯টি উপজেলা নিয়ে জেলায় আসনসংখ্যা পাঁচটি। এসব আসনে প্রথমবারের মতো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১২ জন কারাবন্দি তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে রেজিস্ট্রেশন অনুমোদন পেয়েছেন।

এ ছাড়া জেলায় ৬ হাজার ৫৩৮ জন প্রবাসী, ৯ হাজার ৮৭৯ জন সরকারি চাকরিজীবী, ২ হাজার ৪৬৪ জন নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ৪৩ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে রেজিস্ট্রেশন অনুমোদন পেয়েছেন। পোস্টাল ব্যালটে ভোটের জন্য বেশি আবেদন অনুমোদন পেয়েছে পাবনা-১ আসন। আসনটিতে এ ব্যবস্থায় অনুমোদিত ভোটার ৪ হাজার ১৫৫ জন। এ ছাড়া সুজানগর ও আমিনপুর নিয়ে গঠিত পাবনা-২ আসনে ৩ হাজার ৭৩৫ জন। তবে সম্প্রতি সীমানা পুনর্বিন্যাস হওয়ায় অনুমোদিত এই ভোটারদের ভোট এলাকাও পরিবর্তিত হওয়ায় তা দুটি আসনের পাবনা-১ ও ২ আসনে পুনর্বিন্যাস হবে। চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর নিয়ে পাবনা-৩ আসনে ৩ হাজার ৮৮২, ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া নিয়ে পাবনা-৪-এ ২ হাজার ৯৪৫ ও সদর বা পাবনা-৫ আসনে ৩ হাজার ৭৮১ জন ভোটার অনুমোদন পেয়েছেন।

পাবনা জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মুহম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, কারাবন্দি প্রবাসী বা অন্যান্য অনেকেই পূর্বে নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি। তাই ত্রয়োদশ  নির্বাচনে ইসি এই ব্যবস্থা রেখেছে। যাতে সংশ্লিষ্টরা ভোট দিতে পারেন।

তিনি বলেন, এই ব্যবস্থায় ভোট প্রদানে আমাদের সরাসরি ভূমিকা নেই। যাদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন ও অনুমোদন হয়েছে তাদের কাছে পোস্ট অফিসের মাধ্যমে গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পাঠানো হবে। ইতিমধ্যে পাঠানো শুরু হয়েছে। এ ব্যালটের সঙ্গে ভোট দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া থাকবে। সে অনুযায়ী ভোটার সম্পূর্ণ নিজ দায়িত্বে ভোট সম্পন্ন করে নিরাপদ খামে ভরে নিকটস্থ পোস্ট অফিসে জমা দেবেন। সেটি তার নির্বাচনী এলাকার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পৌঁছে যাবে। আমি নিজেও পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেব। একই পদ্ধতি অনুসরণ করব। চাইলে ব্যালট হাতে পেয়ে তৎক্ষণাৎ ভোট দিয়ে ব্যালট পাঠাতে পারব। আবার চাইলে সময় নিয়ে অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেকোনো সময় ভোট সম্পন্ন করে ব্যালট পাঠাতে পারব। সবার জন্য একই পদ্ধতি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত