আদালতের নির্দেশে মনোনয়নপত্র ফিরে পেলেন মাহমুদ হোসেন

আপডেট : ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম

অনেক জল্পনা কল্পনা শেষে উচ্চ আদালতের নির্দেশে মনোনয়নপত্র ফিরে পেয়েছেন পিরোজপুর -২ (ভান্ডারিয়া, কাউখালি ও নেছারাবাদ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেন। রবিবার (১৮ জানুয়ারি) মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের শুনানি শেষে হাইকোর্ট তার প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মাহমুদ হোসেন জানান, আদালতের এই আদেশে তার প্রার্থিতা নিয়ে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তার অবসান হয়েছে। এসময়ে তিনি আরও বলেন, ‘এই রায়ে তার সমর্থক ও অনুসারীদের মধ্যেও নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।’

শনিবার (৩ জানুয়ারি) জেলা রিটার্নিং অফিসারের যাচাই-বাছাইয়ে প্রথমে ঋণখেলাপির কারণে তার মনোনয়ন বাতিল করেন। পরবর্তীতে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করলেও সেখান থেকেও বাদ পড়েন। শেষ পর্যন্ত উচ্চ আদালতে রিট করলে আদালত তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেন।

এর আগে মাহমুদ হোসেন বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করলেও তা না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেন।

মাহমুদ হোসেন জাতীয় পার্টির (জেপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর চাচাতো ভাই। তিনি ছাত্র জীবনে ভান্ডারিয়া সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হয়েছিল। ২০২৩ সালে ঢাকায় বিএনপিতে যোগ দেন তিনি। এরপর থেকেই তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার করেন।

প্রার্থীতা প্রসঙ্গে মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘মহামান্য আদালত সত্যের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এ রায় শুধু আমার একার নয়, পিরোজপুর-২ আসনের তৃণমূল পর্যায়ের লাখ লাখ মানুষের। তারা আমাকে ভোট দিয়ে তাদের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করবে।’

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আদালতের এই সিদ্ধান্তে পিরোজপুর-২ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ হবে। এ আসনের নির্বাচনী মাঠে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

উল্লেখ্য, একই আসনে তার আপন ছোট ভাই ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাহিবুল হোসেন মাহিম জাতীয় পার্টি জেপি থেকে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত