আগামীকাল শনিবার থেকে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে না খেলার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। মূলতঃ বাংলাদেশের সমর্থনেই পাকিস্তান সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এমনকী শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হলেও পাকিস্তান তাদের অবস্থান বদলায়নি। তবে ভারতের সাবেক পেসার চেতন শর্মা মনে করছেন, ১২ ফেব্রুয়ারির পর পাকিস্তান ভারতের বিপক্ষে খেলতে রাজি হতে পারে।
১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পাকিস্তান সরকার তাদের ক্রিকেট দলকে ওই ম্যাচ খেলতে অনুমতি দেয়নি। চেতন শর্মা মনে করেন, পাকিস্তানের এই অবস্থান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। খুব দ্রুতই হয়তো দেশটির সেনাপ্রধান খেলাধুলাকে রাজনীতি থেকে আলাদা রাখার আহ্বান জানাতে পারেন!
‘সালাম ক্রিকেট ২০২৬’ নামের একটি অনুষ্ঠানে ভারতের হয়ে ২৩ টেস্ট ও ৬৫ ওয়ানডে খেলা চেতন শর্মা বলেন, ‘বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের দোষ কী? কিছুই না। এটা পুরোপুরি রাজনীতি। বাংলাদেশের নির্বাচন ১২ তারিখে। এরপরই আপনি (পাকিস্তানের) অবস্থানের পরিবর্তন দেখতে পারবেন। তখন বলা হবে, জনমতের কথা বিবেচনা করে এবং ক্রিকেটকে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে বাঁচাতে পাকিস্তান ভারতের বিপক্ষে খেলবে।’
চেতন শর্মা আরও বলেন, ‘এই অবস্থানটা আসলে শুধু বাংলাদেশের নির্বাচনকে ঘিরেই। আমি নিজেও একজন রাজনীতিবিদ ছিলাম, নির্বাচনেও লড়েছি। এমনকি নির্বাচনের পর হয়তো (পাকিস্তানের) সেনাপ্রধানও বলবেন— খেলাধুলাকে রাজনীতির বাইরে রাখা উচিত এবং ম্যাচটি হওয়া উচিত। তাছাড়া এখন পর্যন্ত পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে কিছুই জানায়নি। আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা ছাড়া এসব বক্তব্যের কোনো মূল্য নেই।’
এদিকে পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক সালমান আলী আগাও বিষয়টি নিয়ে বলেছেন, ‘ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্ত সরকারের ওপর নির্ভরশীল, দলের ওপর নয়।’ অন্যদিকে ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব জানিয়েছেন, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভারত দল কলম্বো সফর করবে। পাকিস্তান খেলবে কি না, সে সিদ্ধান্ত তাদের নিজস্ব বিষয়।
ভারত ম্যাচ বর্জনে অনড় পাকিস্তান; শ্রীলঙ্কার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের কোনো স্মৃতি নেই, সব মুছে গেছে: মার্কাস থুরাম
ভারত ম্যাচ বয়কট না করতে পাকিস্তানকে চিঠি শ্রীলঙ্কার