ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন প্রধান সৈয়দপুর থেকে ঢাকার বিমানে ওঠার আগে দায়িত্বরত কাস্টমস কর্মকর্তাদের জানান, তার কাছে ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহারের জন্য ৭৪ লাখ টাকা রয়েছে। তিনি এই অর্থ বহনে আইনগত কোনো বাধা আছে কি না, তা জানতে চান। কর্তৃপক্ষ বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তাকে অনাত্তিপত্র (আন্ডারটেকিং) দেয়। এটি মূলত যাত্রীর সঙ্গে ঘোষিত অর্থ বহনের একটি আনুষ্ঠানিক নথি।
শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ জানান, কাস্টমসের অনাপত্তিতেই ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমিরকে টাকা বহনের অনুমতি দেয়া হয়। অভ্যন্তরীণ রুটে অর্থ পরিবহনে কোনো সীমাবদ্ধতা নেই।
এখন প্রশ্ন উঠেছে-যখন ওই নেতা নিজেই টাকা থাকার বিষয়টি আগেভাগে ঘোষণা দিয়েছেন, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তা নথিভুক্ত করেছে এবং এতে কোনো আপত্তি তোলেনি, তখন সেই টাকা কীভাবে অবৈধ বলে চিহ্নিত হয়?
অর্থ বহনের বিদ্যমান আইন ও প্রক্রিয়া অনুযায়ী, কোনো যাত্রী যদি স্বপ্রণোদিত হয়ে অর্থের পরিমাণ ঘোষণা করেন এবং কর্তৃপক্ষ তা গ্রহণ করে অনাত্তিপত্র প্রদান করে, তাহলে সেই অর্থকে অবৈধ বলে দাবি করার কোনো সুযোগ নেই। বরং এই ঘটনা প্রমাণ করে, তিনি সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে ও নিয়ম মেনেই অর্থ বহনের চেষ্টা করেছেন। প্রাপ্ত টাকা গার্মেন্টস ব্যবসার বলে দাবি করেছেন বেলাল উদ্দিন প্রধান।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই টাকা নিয়ে অনেকে নানা মন্তব্য করলেও বাস্তবে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করায় ওই অর্থ ‘বৈধ’ বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
