শরীয়তপুরের সখিপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৭জন আহতের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সখিপুর থানার চরভাগা ইউনিয়নের পেদা কান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- মোশাররফ পেদা (৭৫), মোতালেব পেদা (৮০), হোসনে আরা (৪৫) ও সোনিয়া আক্তার (৩৫), আমজাদ হোসেন পেদা (৬৫), সোহাগ পেদা (২৫) ও মনির হোসেন পেদা (৫৫)। আহতদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহত হোসনে আরার অবস্থা আশংকা জনক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকাতে পাঠিয়েছে চিকিৎসক।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে চরভাগা পেদা কান্দি এলাকার মোশাররফ পেদার পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার আমজাদ পেদার পরিবারের দীর্ঘদিন যাবত দ্বন্দ্ব চলে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার সকাল ৭টার দিকে এলাকায় (পালা) গাভির দুধ বিক্রি নিয়ে দুই পক্ষের লোকজনের বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে দু'পক্ষ দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এসময় মোশাররফ, মোতালেব, হোসনে আরা ও সোনিয়া, আমজাদ, সোহাগ ও মনির আহত হন। পরে আহত অবস্থায় তাদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আহত হোসনে আরার অবস্থা আশংকা জনক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকাতে পাঠিয়েছে চিকিৎসক।
আহত মোশাররফ পেদা বলেন, আমজাদ পেদার পরিবারের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিন যাবত জমি নিয়ে বিরোধ। যে কোন বিষয়ে
তারা আমাদের বিরোধীতা করে। আজ গাভীর দুধ নিয়ে তাদের সঙ্গে আমার তর্কবিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে আমজাদ পেদা, মনির পেদা, বাবু পেদা, সোহাগ পেদাসহ ৫/৬ জন শাবাল, কোদাল, দা ও লাঠি নিয়ে আমাদের উপর হামলা করে। আমাদের চারজনকে কুপিয়ে আহত করে। আমি এই হামলার বিচার দাবি করছি।
এবিষয়ে আমজাত পেদার ছেলে শাহাজালাল পেদা বলেন, পালা গাভির দুধ বিক্রি নিয়ে আমার বাবা ও মোশাররফ পেদার সঙ্গে বাকবিতন্ডা হয়। পরে দু'পক্ষ মারামারি হয়। এতে আমাদের তিনজন আহত হয়। তবে এটা পারিবারিক ঘটনা ছিল।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিদুল ইসলাম বলেন, পরিবারিক দ্বন্দ্ব নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত। এখন এলাকা শান্ত আছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
