অস্ট্রেলিয়ার সেই ভয়ংকর রূপ আর নেই: রিকি পন্টিং

আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:৪৬ পিএম

জিম্বাবুয়ের মতো দলের কাছে পরাজয়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপপর্ব থেকে বিদায়- অস্ট্রেলিয়ার এমন দুর্দিন সর্বশেষ কবে দেখা গিয়েছিল? এই টুর্নামেন্টে তিনটি ম্যাচের মধ্যে তারা মাত্র একটি জিততে পেরেছে। শুক্রবার ওমানের বিপক্ষে ম্যাচের ফলাফল যাই হোক না কেন, সুপার এইট থেকে তাদের বিদায় নিশ্চিত। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দলটি চলতি বিশ্বকাপে সবচেয়ে দুর্বল পারফর্মেন্স দেখিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিং।

‘দ্য আইসিসি রিভিউ’-এ হোস্ট সঞ্জনা গনেশনের সঙ্গে আলোচনায় একরাশ হতাশা প্রকাশ করে পন্টিং বলেন, ‘এটি সত্যিই একটি দুর্বল বিশ্বকাপ অভিযান। শুরুতেই জশ হ্যাজেলউড এবং প্যাট কামিন্সের অনুপস্থিতি আমাদের জন্য ছিল বড় ধাক্কা। টিম ডেভিডও শুরু থেকে ছিলেন না। কিন্তু জিম্বাবুয়ের কাছে হেরে যাওয়ার ম্যাচটিই বলে দিয়েছে— “আমাদের বিশ্বকাপ এখানেই শেষ”। শ্রীলঙ্কাকে ঘরের মাঠে হারানো কঠিন ছিল এবং সত্যিই তারা আমাদের চেয়ে ভালো খেলেছে। কিন্তু জিম্বাবুয়ের কাছে হার এমন একটি ঘটনা, যেটা কোনো পরিস্থিতিতেই হওয়া উচিত ছিল না।’

পন্টিংয়ের অস্ট্রেলিয়া ছিল সর্বজয়ী। ভয়ংকর সব ক্রিকেটার ছিলেন সেই দলে। কোনো দলই তাদের কাছে পাত্তা পেত না। বর্তমান দলে এমন কিছুরই অভাব দেখছেন পন্টিং, ‘বর্তমান দলটিতে এরকম কারও ভয়ংকর উপস্থিতি নেই যা অতীতের অস্ট্রেলিয়ান দলগুলিতে দেখা যেত। টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা প্রয়োজনের সময় রুখে দাঁড়াতে পারেনি। ক্যামেরন গ্রিন ও টিম ডেভিড যথাযথভাবে রান করতে পারেননি। জিম্বাবুয়ে ম্যাচে দ্রুত উইকেট হারানো অস্ট্রেলিয়ার জন্য বড় ধাক্কা ছিল।’

সমালোচনা আছে যে- অস্ট্রেলিয়া নাকি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে তেমন একটা গুরুত্ব দেয় না। পন্টিং অবশ্য এই ধারণার সঙ্গে সম্পূর্ণ দ্বিমত পোষণ করেছেন, ‘যেকোনো অস্ট্রেলিয়ান দলের লক্ষ্য বিশ্বকাপ জয়। আমাদের কিছু সেরা খেলোয়াড় না থাকার কারণেই আমরা জিততে পারিনি।’

২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও সম্ভাব্য অলিম্পিক স্কোয়াড নিয়ে পন্টিং বলেন, ‘মিচেল মার্শ, ট্র্যাভিস হেড এবং জশ ইংলিশ সম্ভবত দলে থাকবেন। স্টিভ স্মিথও অলিম্পিক টিমে অংশ নিতে চাইছেন। ক্যামেরন গ্রিন এবং নাথান এলিস, জাভিয়ার বার্টলেট, কুপার কনলি সম্ভবত থাকবেন। তবে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের ক্যারিয়ার হয়তো শেষ দিকে। মার্কাস স্টয়নিসের পারফরমেন্সও প্রশ্নবিদ্ধ। কিছু পরিবর্তন আসবেই। তবে আমরা এখনো আমরা ১৮ মাস বা দুই বছর দূরে আছি।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত