বিজয়কে অর্থবহ করাই সাফল্য

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৫৮ এএম

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গঠিত হলো নতুন সরকারের মন্ত্রিপরিষদ। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের এই বিজয় ছিল জনগণের বহুল প্রত্যাশার। তারেক রহমান বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন। তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছরে অনেক কষ্ট, নির্যাতন সহ্য করেছেন, স্বদেশভূমি থেকে দূরে থাকতে বাধ্য হয়েছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর পর ঢাকায় ফিরে প্রথমেই দেশের মাটি স্পর্শ করার বিষয়টি বাংলাদেশের মানুষের মনে গভীর রেখাপাত করেছিল। এরপর নির্বাচনে জয়লাভ করা পর্যন্ত, তার সংগ্রাম ও বিচক্ষণ পদক্ষেপ জনগণের আস্থা অর্জনে সহায়ক হয়েছে। এবারের নির্বাচনে সারা দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে জাতীয়তাবাদী শক্তির পক্ষে ভোট দিয়েছে। বস্তুত এটি ছিল ধানের শীষের পক্ষে সাধারণ মানুষের অকুণ্ঠ ভালোবাসার প্রকাশ। আমি নিজেও ভোট দিয়েছি বেশ অনেক বছর পর। আমার ভোট আমিই দিয়েছি। কত দীর্ঘ বছর পরে যে এমন সুস্থ, সুষ্ঠু, কারচুপিমুক্ত নির্বাচন দেখলাম!  ধন্যবাদ বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী। ধন্যবাদ নির্বাচন কমিশন। ধন্যবাদ বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা। নির্বাচনে বিএনপির জয়ের পথ কিন্তু মোটেই সহজ ছিল না। নির্বাচনে জয়ের পর সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান একজন সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন, জনগণের সমর্থন লাভ করাটাই ছিল তার নির্বাচনী ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’। সঠিক কথাটাই বলেছেন তিনি। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে তিনি ফ্যামিলি কার্ড, নারী উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার ও কর্মসংস্থানের যে আশ্বাস দিয়েছেন তা জনগণকে আশান্বিত করেছে। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর, গত দেড় বছরে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ এক ধরনের ‘মব আতঙ্কে’ ভুগেছে। হঠাৎ হঠাৎ শাহবাগ আটকে, যান চলাচল থামিয়ে অযৌক্তিক দাবি-দাওয়া নিয়ে মাঠ গরম করার বিষয়টি জীবনযাত্রার স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তাকে অনেকটাই বিঘ্নিত করেছে। বাংলাদেশের মানুষ এখন আর এসব চায় না। তারা শান্তি চায়। তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রীরা কাজ করবেন, দেশকে গড়ে তুলবেন এটা এখন দেশবাসীর প্রত্যাশা।

নির্বাচনে জামাতকেন্দ্রিক ১১ দলীয় জোট পরাজিত হয়েছে। যদিও তারাও অনেক ভোট পেয়েছে, তবু তাদের পরাজয়ের মূল কারণ ছিল- জনবিরোধী, বিশেষ করে নারী প্রগতির বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ। নির্বাচনের আগে গত দুই মাসে তাদের কর্মকাণ্ড ও কথাবার্তা একটু স্মরণ করতে চাই। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর গণবিরোধী ভূমিকার কথা বাংলাদেশের মানুষকে নতুন করে বলার কিছু নেই। এই দলটি তখন হানাদারদের দোসর হয়ে এদেশের মানুষকে হত্যা করেছে। তারা নারীদের তুলে দিয়েছে ধর্ষক বাহিনীর হাতে। তাদের সেই অপরাধ ভুলে যাওয়ার নয়। নির্বাচনের আগেও তারা একের পর এক আপত্তিজনক কথা ও আচরণ দিয়ে প্রমাণ করেছে যে, তাদের চিন্তাচেতনা কতটুকু নারীবিদ্বেষী। প্রথমে তারা ‘বেহেশতের টিকিট’ বিক্রি করার মতো হাস্যকর কথা বলে, বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ জনগণের ধর্মীয় আবেগকে পুঁজি করে নির্বাচনে জয় পেতে চেয়েছিল। এরপর সেটি ব্যর্থ হলো। তারপর শুরু করল নারীদের গৃহবন্দি করার যত মধ্যযুগীয় পরিকল্পনা। আলজাজিরার সাক্ষাৎকারে নারী নেতৃত্বকে ‘নট পসিবল’ বলে তাদের নারীবিরোধী অবস্থানকে স্পষ্ট করা হয়। কর্মজীবী নারীদের সম্পর্কে, চরম আপত্তিজনক মন্তব্যও করা হয় দলের বিভিন্ন নেতাকর্মীর পক্ষ থেকে। বাংলাদেশের জনগণ ঠিকই বুঝতে পারছিল যে, এই দলটি ক্ষমতায় গেলে উন্নয়নের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে, যা এদেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে ছাড়বে। বাংলাদেশের অর্থনীতির বড় খাত  পোশাকশিল্প, সেবা খাত, কৃষি এবং প্রবাসী আয়। এর সবকটিতেই রয়েছে নারীর বিপুল অংশগ্রহণ এবং অবদান। নারীর এই অংশগ্রহণকে যারা নিরুৎসাহিত করে, যারা নারীকে গৃহবন্দি করতে চায় তাদের দ্বারা আর যাই হোক, দেশের উন্নয়ন সম্ভব হবে না এ কথা বুঝতে সাধারণ মানুষের দেরি হয়নি।

মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা বাংলাদেশের অস্তিত্বের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে। সেই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ভুল ও মনগড়া তথ্য প্রচার করে, জামায়াত নিজেদের হাস্যকর করে তুলেছিল। হঠাৎ করেই জামায়াত নেতা বলে বসেন, স্বাধীনতার ঘোষক জেড বাহিনীর কমান্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান নন। স্বাধীনতার ঘোষক নাকি অলি আহমেদ। এই আজগুবি কথা বলার পর তাদের পরাজয়ের পথ আরও প্রশস্ত হয়। সাধারণ মানুষ বুঝতে পারে মৌলবাদী, উগ্রবাদী ও নারীবিদ্বেষী জামায়াতকে ভোট দেওয়া আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে। সঠিক ‘চয়েজ’ হিসেবে তাই জাতীয়তাবাদী শক্তিকেই বেছে নিয়েছে সাধারণ মানুষ। তারা বুঝতে পারে, একমাত্র তারেক রহমানই পারবেন বাংলাদেশকে সঠিক নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যেতে। তারেক রহমান ও তার দলের নিরঙ্কুশ বিজয়ে জনগণের এই সঠিক সিদ্ধান্তই বাস্তবায়িত হয়েছে। এটা সত্যিই ‘স্মার্ট চয়েজ’। তারেক রহমান বিজয়ী বীর হয়ে তার মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেছেন। তবে ইতিহাস বলে, অভিজ্ঞ নেতা জয়ের মুহূর্তেই আগামী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হতে শুরু করেন। আশা করি, তারেক রহমানও তাই করবেন। বাংলাদেশের মাটিতে জামায়াতে ইসলামীর মতো একটি উগ্রবাদী পার্টি কীভাবে এতগুলো আসন পায় এবং সব আসনে কীভাবে হাড্ডাহাডি ফাইট দেয়, সেটা অবশ্যই ভেবে দেখতে হবে। দেশকে অস্থিতিশীল করার দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ষড়যন্ত্র আপাতত ব্যর্থ হলেও সাবধান থাকতে হবে। সবাইকে নিয়ে গঠনমূলক রাজনীতি করতে হবে। সব দেশের সঙ্গে মিত্রতা গড়ে তুলতে হবে, তবে কারও পদলেহী হওয়া যাবে না। দেশের মর্যাদা ধরে রাখতে হবে। তিনি অবশ্য এ কথা সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে সর্বাগ্রে স্বদেশের স্বার্থ দেখা হবে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এই চিন্তাধারা অত্যন্ত আশা জাগানিয়া। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা স্বাধীনতার ঘোষক, জেড ফোর্সের অধিনায়ক, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি তার শাসনামলে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নে সচেষ্ট ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের গ্রামবাসী সাধারণ মানুষ, কৃষক, শ্রমিকের ভাগ্যের উন্নয়ন করতে কার্যকরী ভূমিকা রেখেছিলেন। ভুলে গেলে চলবে না ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ করেছিল এদেশের সব মানুষ। ফ্যাসিবাদী আওয়ামীরা সেই বিজয় ছিনতাই করে নিজেদের মনোপলি কায়েম করতে চেয়েছে। তারা মুক্তিযুদ্ধের সোল এজেন্সি নিয়েছিল। জুলাই বিপ্লবে রাজপথে নেমেছিল এদেশের সব সাধারণ মানুষ। কিন্তু জুলাই বিপ্লবের কৃতিত্ব ছিনতাই করেছিল জামাত-শিবির। তারাই জুলাই বিপ্লবের কাণ্ডারি, এমন ধারণার ওপর ভর করে তারা চেয়েছিল বাংলাদেশকে তালেবানি রাষ্ট্র বানাতে। দেশের শ্রমজীবী নারীদের তারা অপমান করেছিল। দেশের শান্তিকামী ধর্মীয় সংস্কৃতির বিরুদ্ধে গিয়ে এদেশকে তারা উগ্রবাদিতার দিকে ঠেলে দিতে চেয়েছে। বাংলাদেশের জনগণ এই ষড়যন্ত্রকে রুখে দিয়েছে। রক্তপাতহীন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমেও যে বিপ্লব করা যায়, সেটা দেখিয়ে দিয়েছে। এই জনগণই আওয়ামী ফ্যাসিবাদী ‘নো বোট, নো ভোট’ ষড়যন্ত্রকেও প্রত্যাখ্যান করেছে।

বিএনপির মনে রাখতে হবে, জয়ী হওয়াটাই বড় কথা নয়। বিজয়কে অর্থবহ করতে পারাটাই সাফল্য। তাদের এখন দৃষ্টি দিতে হবে, দেশের উন্নয়নে। বাংলাদেশের প্রকৃত সংস্কৃতিকে জাগিয়ে তুলতে হবে। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ ব্যালটের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে, তারা উগ্রবাদী নন। তারা মাজার ভাঙা, বেহেশতের টিকিট বিক্রি করা, মোনাফেক, নারীবিদ্বেষী, রাজাকারের দলকে সমর্থন দেয়নি। কিন্তু ২০৩১ সালেও যেন জামাত নির্বাচনে পরাজিত হয়, সেটি এখন থেকেই ভাবতে হবে। সম্প্রতি একটি ভিডিও দেখলাম। যেখানে এক প্রৌঢ় রিকশাচালক আক্ষেপ করে কাঁদছেন। বলছেন- তার পেটে ভাত নেই, নির্বাচন দিয়ে তিনি কী করবেন? ভিডিওটি দেখে আমারই চোখে জল এসে গিয়েছিল। আমাদের দেশের মানুষ সত্যিই বড় গরিব, বড় দুঃখী। কত নির্বাচন এলো, গেল+ কত নেতা হারলেন, জিতলেন। কিন্তু এদেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্যের চাকা কি ঘুরল? এখন দরকার দেশের সাধারণ শ্রমিক, কৃষকের উন্নয়ন। শহর ও গ্রামের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের উন্নয়ন। বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বলছি। আপনার প্রতি আমাদের অনেক ভালোবাসা, অনেক আশা, অনেক সমর্থন রয়েছে। ইতিহাস সেরা নির্বাচনে দলকে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী করার পর দেশ পরিচালনায় শপথ গ্রহণের মাধ্যমে শুরু হলো আপনার সরকারের পথচলা। নারী, পুরুষ, তৃতীয় লিঙ্গ, শিশু, যুব, প্রবীণ, মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, বিশ্বাসী, অবিশ্বাসী, পাহাড়ি, সমতলবাসী, আদিবাসী, বাঙালি সব বাংলাদেশি নাগরিক যেন এগিয়ে যেতে পারে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ডালভাতের অর্থনীতির কথা বলেছিলেন। সত্যিই যেন সাধারণ মানুষ দুইবেলা অন্তত শাক দিয়ে, ডাল দিয়ে, ছোটমাছ দিয়ে শান্তিতে ভাত খেতে পারে, সেদিকে দেশকে পরিচালিত করুন। বাংলাদেশের মানুষ শান্তি চায়, নারী-পুরুষসহ সবার নিরাপত্তা চায়। এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। আবহমান বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে রক্ষা করুন, তার বিকাশ নিশ্চিত করুন। লাল সবুজের বাংলাদেশ যেন এবার সত্যিই সুখের মুখ দেখে, বিশ্বসভায় যেন মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়। নিজের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব নিয়ে বাংলাদেশ গৌরবের আসনে অধিষ্ঠিত হোক, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাকুক। তারেক রহমান প্রথম থেকেই সব দলের সহযোগিতায় দেশগড়ার আশা ব্যক্ত করেছেন। তিনি প্রতিহিংসার রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। নির্বাচনে জয়লাভ করেও বিরোধীদলীয় নেতাদের সম্মান করেছেন, তাদের সঙ্গে দেখা করেছেন। এটি খুবই ইতিবাচক মনোভাব। তার এই সৌজন্য ও সুআচরণ এদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের পথকে সুগম করেছে। এর ফলে একটি আধুনিক, সভ্য, ভদ্র গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের যাত্রার সূচনা হয়েছে। আর বিরোধী দলকে বলছি আপনারাও কিন্তু জনগণের একটা অংশের সমর্থন পেয়েছেন। এখন আপনাদের কাছেও ভোটদাতাদের কিছু প্রত্যাশা রয়েছে।

প্রত্যাশা হলো, আপনারা সংসদে নিজের এলাকার সমস্যা তুলে ধরবেন, উন্নয়নের জন্য কাজ করবেন। শুধু বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা, এই অসুস্থ প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসুন। নতুন সরকারকে কাজ করতে দিন। সরকারের সমালোচনা অবশ্যই করবেন। তবে সেটি যেন গঠনমূলক সমালোচনা হয়। ভাঙচুর, আইনশৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ, মব সৃষ্টি, গুজব রটানো, অহেতুক ট্রল, বট বাহিনী সৃষ্টি করে হয়রানি, নারীবিদ্বেষী প্রচারণা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের পাঁয়তারা, সরকারি ও জনগণের সম্পদের ক্ষতিসাধন, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী প্রচারণা ও দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকুন। এই দেশটা আমাদের সবার। সবাই মিলেই একে গড়ে তুলতে হবে। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে আবার শিক্ষার পরিবেশ ফিরে আসুক। ছাত্ররাজনীতি অবশ্যই থাকবে। কিন্তু ছাত্রছাত্রীদের আচরণ ও শিক্ষকের প্রতি তাদের ব্যবহার যেন শিষ্টাচারের সীমা অতিক্রম না করে। তরুণদের মুখের ভাষাও পরিশীলিত এবং মার্জিত হওয়া দরকার। অশালীন কথাবার্তা, গালাগাল, কুৎসিত ভাষায় আক্রমণের যে অসুস্থ প্রবণতা দেখা দিয়েছে তা বন্ধ হোক। সরকারি দল আর বিরোধী দল যে যেটাই সমর্থন করুক না কেন, সব মিলিয়ে আমাদের একটাই সংসদ আর একটাই বাংলাদেশ। এই দেশটাকে কি আমরা সুন্দর, সুখী একটি দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি না? এই প্রত্যাশাই রাখছি সব নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির প্রতি।

লেখক: সাহিত্যিক ও সাংবাদিক শিক্ষক, ইয়ুননান বিশ্ববিদ্যালয় কুনমিং, চীন

[email protected]

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত