আফঈদার আশাবাদ কিরণের অজুহাত

আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:১৭ এএম

প্রস্তুতি নিয়ে কোচ পিটার বাটলার হতাশার সুরে কথা বললেও আশার কথা শুনিয়েছেন অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার। তার বিশ্বাস সামনের কঠিন চ্যালেঞ্জ ভালো ফুটবল দিয়েই তারা উতরে যাবেন। আর নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে অনেক অজুহাত নিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন বাফুফের নারী ফুটবল কমিটির প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণ।

আফঈদা বলেন, ‘আপনারা জানেন আমরা কয়েক দিন আগে ওমেন্স লিগ শেষ করেছি। তারপর যে কয়দিন সময় পেয়েছি কোচের কাছে প্র্যাকটিস করেছি। কোচ আমাদের দেখাচ্ছেন সেখানে আমরা কীভাবে খেলব। যেহেতু আমাদের প্রতিপক্ষ অনেক শক্তিশালী চীন, উত্তর কোরিয়া, উজবেকিস্তান। আমরা অনুশীলনে ওভাবেই কাজ করছি। ইনশাআল্লাহ আমরা ভালো কিছু করব। আপনারা সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন, যাতে আমরা ভালোভাবে ফিরে আসতে পারি এবং আমাদের সেরা খেলাটা খেলতে পারি। আর এশিয়ান কাপের চাপ আমরা ওভাবে নিচ্ছি না। আমরা সবসময় যেভাবে খেলি, মাঠের ভেতর সেভাবেই স্বাভাবিক খেলার চেষ্টা করব। আমরা অবশ্যই আমাদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব। প্রথম দুটি ম্যাচ খুব শক্তিশালী দলের সঙ্গে, তবে আমরা উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ভালো কিছু করার আশা রাখছি।’

গত বছর ৫ জুলাই মিয়ানমারের এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ম্যাচে তারা সেদিন তুর্কেমেনিস্তানকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে সি গ্রুপের সেরা হয়ে পেয়েছিল মূলপর্বের টিকিট। সেখান থেকে ধরলে মর্যাদার আসরের জন্য প্রস্তুত হওয়ার সময় ছিল কমবেশি আট মাস। পাশের দেশ ভারত বাছাই পেরোনোর এক সপ্তাহের মধ্যেই ঘোষণা করেছিল তাদের প্রস্তুতি পরিকল্পনা। অথচ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ঘোষণা তো দূর, বড় মঞ্চের জন্য যে মানের প্রস্তুতি প্রয়োজন সেটা নিশ্চিত করতে পারেনি। এর বড় দায় বাফুফের নারী ফুটবল কমিটির প্রধান কিরণের। তবে অস্ট্রেলিয়া অভিযানের আগমুহূর্তে এই কর্মকর্তা দায় চাপিয়েছেন বাফুফের শীর্ষকর্তাদের ওপর।

কখনো জাপান, কখনো মালয়েশিয়ার কথা কিরণই সংবাদমাধ্যমে বলেছেন। শেষ পর্যন্ত অবশ্য বাংলাদেশকে প্রস্তুতি নিতে হয়েছে দেশেই এবং অবশ্যই তড়িঘড়ি একটা লিগ খেলে। কিরণ অবশ্য নিজের পিঠ বাঁচাতে দিয়েছেন ফিরিস্তি, ‘আমি ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে যেটা করেছি, সেটি হচ্ছে জাপানের সঙ্গে আমি রেডি করেছিলাম, কিন্তু জাপান আমাদের যে সময়টা দিয়েছিল নভেম্বরে, সেই সময় সেখানে মাইনাস টেম্পারেচার (তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে) থাকে। যেখানে আমাদের মেয়েরা অভ্যস্ত না। সে কারণে আমরা সেটি নিতে পারিনি, আর দ্বিতীয়ত মালয়েশিয়ার ব্যাপারে আগেই বলেছি, আমি হয়তো পরিকল্পনা করতে পারি বা প্রোগ্রাম রেডি করতে পারি, সিদ্ধান্ত তো আর আমার একার হাতে না। আমার ওপরে তো হায়ার অথোরিটি (ঊর্ধ্বতন কর্র্তৃপক্ষ) আছে। যে কারণে মালয়েশিয়ারটা আর হয়নি। আমি মনে করি যে, আরও ভালো হতো, যদি আমরা বাইরে কোনো দেশে তাদের রেখে ট্রেনিং করাতে পারতাম এবং আরও কিছু প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলাতে পারতাম।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত