টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বের ফরম্যাট নিয়ে তোপের মুখে পড়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। টুর্নামেন্টের পরের ধাপে ওঠা আট দলের তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে বিতর্ক, বিশেষ করে তথাকথিত ‘প্রি-সিডিং’ পদ্ধতি নিয়ে।
আইসিসির এই ফরম্যাটের সৌজন্যে চারটি গ্রুপের চার চ্যাম্পিয়ন দলকেই একটি সুপার এইট গ্রুপে রাখা হয়েছে। আর চারটি রানার্স-আপ দলকে অন্য গ্রুপে। গ্রুপ- ১ এ আছে ভারত, জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। অন্যদিকে গ্রুপ-২ এ আছে পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড এবং নিউজিল্যান্ড।
এখন আসা যাক এই কাঠামোর সমস্যা নিয়ে। এই ফরম্যাটের কারণে প্রথম রাউন্ডে সেরা পারফর্ম করা অন্তত দুটি দল সেমিফাইনালের আগেই বাদ পড়বে। অথচ কোনো রানার্স-আপ দল তুলনামূলক সহজ পথে শেষ চারে পৌঁছে যাবে। সমালোচকদের মতে, টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই আইসিসি নির্দিষ্ট স্লট (যেমন এ১, বি১, সি১, ডি১) ধরে দলগুলো বসিয়ে দিয়েছিল। ফলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়নরা সুপার এইটে বিপাকেই পড়েছে।
উদাহরণ হিসেবে, দক্ষিণ আফ্রিকা নিজেদের গ্রুপ জিতলেও তারা তুলনামূলক নিচের সিড পেয়েছে। কারণ, গ্রুপ রানার্সআপ হওয়া নিউজিল্যান্ডকে আগেই উচ্চ র্যাঙ্কে বসানো ছিল। এতে শেষ গ্রুপ ম্যাচগুলোর গুরুত্বও কমে গেছে এবং দর্শকদের প্রত্যাশিত উত্তেজনা নষ্ট হয়েছে বলে মত অনেকের। এর মানে মানে গ্রুপে প্রথম বা দ্বিতীয় হওয়ার চেয়ে সেরা দুইয়ে থাকাই আসল। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া বাদ পড়ায় এক নম্বর গ্রুপে পড়েছে জিম্বাবুয়ে।
সমালোচনার আরেকটি কারণ হলো সূচি। বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কা যদি সেমিফাইনালে ওঠেও, আগে থেকে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী তাদের ভারতে গিয়ে খেলতে হবে। ফলে নিজ দেশের দর্শকদের সামনে কলম্বোতে সেমিফাইনাল খেলার সুযোগ থাকবে না। অবশ্য আইসিসির দাবি, ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে টুর্নামেন্ট আয়োজনের কারণে ভেন্যু ও সূচি আগে থেকেই পরিকল্পনা করতে হয়েছে। সেই লজিস্টিক সমস্যার কারণেই প্রি-সিডিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে।
ভারতকে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে দেখছেন না মোহাম্মদ আমির
ব্রাজিলিয়ানরা খুব বিনয়ী, চার বছরের চুক্তি নবায়ন করব: আনচেলত্তি