ব্যাংকক থেকে ঢাকায় ফেরার পথে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৪ বোতল মদসহ আটক হয়েছিলেন মেহজাবীন চৌধুরী। গত বছরের ঘটে যাওয়া এমন খবর প্রকাশ করে কয়েকটি গণমাধ্যম। ঘটনার সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্বামী নির্মাতা আদনান আল রাজীব এবং নির্মাতা শঙ্খ দাসগুপ্ত। অভিযোগ উঠে, তাদের লাগেজে ১৪ বোতল মদ পাওয়া গেলেও রহস্যজনক কারণে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি প্রকাশ না করে ছেড়ে দেয়।
ঘটনাটি পরে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার মুখে পড়ে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন মেহজাবীন। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরেই তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে টার্গেট করা হচ্ছে। মেহজাবীনের ভাষ্য, ‘কিছুদিন ধরে আমি লক্ষ্য করছি আমাকে নানা বিষয়ে টার্গেট করা হচ্ছে। আপনারা অনেকেই জানেন, কিছুদিন আগেও একটি মিথ্যা মামলায় আমাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল। বিজ্ঞ আদালত সেই মামলা থেকে আমাকে অব্যাহতি দিয়েছেন,সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আমি যখন নতুন করে কাজে মনোনিবেশ করেছি, ঠিক তখনই আবার আমার মানহানি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
এ সময় প্রযুক্তির অপব্যবহার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মেহজাবীন। তার মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি ভুয়া ছবি ও ভিডিও শিল্পীদের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করছে। নারীদের বিরুদ্ধে সাইবারটার্গেটিংয়ের প্রবণতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। সবশেষে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে অভিনেত্রী বলেন, তিনি কেবল নিজের কাজ নিয়েই এগিয়ে যেতে চান এবং চান তার পেশাগত কাজ আলোচনায় থাকুক, বিতর্ক নয়।
ফ্রান্সের লিঁও শহর বিক্ষোভে উত্তাল
সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় জামায়াতের যেসব প্রার্থীরা