শক্তিশালী বিরোধী দলে ক্ষমতায় ভারসাম্য

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৪৭ এএম

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ফলাফল পর্যন্ত, দেশ চলেছে অন্তর্বর্তী সরকারের মাধ্যমে। সরকারের প্রধান নির্বাহী ছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তারা দেশ পরিচালনা করেছেন অধ্যাদেশ বলে। অধ্যাদেশ ও আইন উভয়ই রাষ্ট্র পরিচালনার নিয়ম হলেও, পার্থক্য আছে। পার্থক্য হলো- এদের প্রণয়ন প্রক্রিয়া ও স্থায়িত্বকাল নিয়ে। সংসদে একটি আইন সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে পাস হয়ে স্থায়ী রূপ লাভ করে। অধ্যাদেশ পরবর্তী সংসদ অধিবেশনে সেটি অনুমোদন না পেলে, বাতিল হয়ে যায়। আইন প্রণয়ন করে আইনসভা বা সংসদ। অধ্যাদেশ সাময়িক বা অস্থায়ী, যা পরবর্তী সংসদ অধিবেশনে অনুমোদনের ওপর নির্ভরশীল। আইন সাধারণ পরিস্থিতিতে তৈরি হয়। অধ্যাদেশ জরুরি বা বিশেষ পরিস্থিতিতে জারি করা হয়। নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষুদ্রঋণ এবং সামাজিক ব্যবসার প্রচার ও প্রসারের জন্য বিশ্বের বহু দেশ ভ্রমণ করেছেন। যদিও সুনির্দিষ্ট কতটি দেশ তিনি ভ্রমণ করেছেন, তার সঠিক সংখ্যা পাওয়া যায়নি। তবে তার কাজের পরিধি ১০০টিরও বেশি উন্নয়নশীল দেশ এবং ৪৬টি দেশে ‘৩-জিরো’ ক্লাবের নেটওয়ার্ক পর্যন্ত বিস্তৃত। ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রবর্তিত ‘৩ জিরো ক্লাব’ হলো একটি বৈশ্বিক তরুণ উদ্যোগ, যার লক্ষ্য ৩টি ‘শূন্য’ অর্জনের মাধ্যমে পৃথিবীকে বাসযোগ্য করা শূন্য দারিদ্র্য (দারিদ্র্যের অবসান), শূন্য বেকারত্ব (উদ্যোক্তা তৈরি), এবং শূন্য নেট কার্বন নিঃসরণ (পরিবেশ রক্ষা)। এসবের মাধ্যমে ড. ইউনুস যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন উন্নত ও অনুন্নত দেশে কাজ করেছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পরেও তিনি সুইজারল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, থাইল্যান্ড, কাতার, জাপান ইত্যাদি দেশ সফর করেছেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর অর্ধ শতাধিক বছর অতিক্রম করার পরেও, বাংলাদেশ বর্তমানে অমিত সম্ভাবনার এক দ্রুত বর্ধনশীল দেশ, যা জনসংখ্যার সুবিধা (ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড), সাহসী তরুণ প্রজন্ম এবং শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর ভিত্তি করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। করোনা মহামারীর পরেও বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। ৩৫তম বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে বাংলাদেশ তার স্থান সুসংহত করছে। খুচরা শিল্প এবং প্রযুক্তি খাতে বিশাল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, গড় আয়ু এবং শিশুমৃত্যু হ্রাসে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশকে, এমনকি ভারতকে ছাড়িয়ে গেছে। তরুণদের সৃজনশীলতা এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের হার দ্রুত বাড়ছে, যা জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ার ইঙ্গিত দেয়। বাংলাদেশ জন্মের পর থেকেই অস্থিতিশীল সরকার। ১৯৯৬-২০০৬ কোনো দলই পরপর দুবার ক্ষমতা ধরে রাখতে পারেনি, অর্থাৎ প্রতিবারই ক্ষমতাসীন দল পরাজিত হয়েছে। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থাও প্রথমে অধ্যাদেশ আকারে ও পরে ১৯৯৬ সালের মার্চ মাসে ত্রয়োদেশ র্সশোধনীর মাধ্যমে সাংবিধানিকভাবে প্রবর্তন করা হয়েছিল। ক্ষমতায় থাকতেই আওয়ামী লীগ বুঝতে পেরেছিল, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে। তাই, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অবৈধ ঘোষণা করে বাতিল করা হয়। পরে সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে ব্যবস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করা হয়। বিলুপ্তির পর ক্ষমতাসীন দল আর পরাজিত হয়নি। পূর্ববর্তী সরকারের ধারাবাহিক পতন ঠেকানোর জন্যই ২০১১ সালের ১০ মে  সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়। কতক পোষ্য বিচারপতিসহ সরকারের ভানুমতির খেলা জনগণ বুঝতে পারলেও, কিছু করার ছিল না। কিছু করতে না পারলেও, মানুষের অধিকার বিলুপ্তির ক্ষোভ জমছিল। বহু বছরের জমাটবাঁধা ক্ষোভ বাঁধ ভেঙে বেরিয়ে আসার পরিণাম দেশ ছেড়ে সরকারের পলায়ন।   

৮ মে ২০২৫ রাতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা হাসনাত আবদুল্লাহর নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্যের ব্যানারে সারা বাংলাদেশে আন্দোলন শুরু হয়। ১০ মে ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান মামলার রায় না আসা পর্যন্ত সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে এক অধ্যাদেশ ঘোষণার পর আনুষ্ঠানিকভাবে আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে। এরপর, ‘তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে আ. লীগকে রাজনীতির সুযোগ দেবেন’ শিরোনামে দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকায় গত ৩০ জানুয়ারি একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদে, ‘তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে পুনরায় আওয়ামী লীগকে রাজনীতির সুযোগ দেবেন। যেহেতু এবার আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই, আপনারা ধানের শীষকে ভোট দেবেন।’ নির্বাচনী পথসভায় আওয়ামী লীগের উদ্দেশ্যে যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী রশীদ আহমাদের এ বক্তব্য ভাইরাল হয়েছে। সম্প্রতি বিএনপি এই প্রার্থী হিন্দু অধ্যুষিত উপজেলার ভবদহ এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় এমন বক্তব্যে বিভিন্ন রাজনীতিক দলের মধ্যে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এই খবরের পরপরই, ‘আ.লীগের ধানম-ি অফিসের ফটকে শেখ মুজিবের ছবি রেখে সেøাগান’ শিরোনামে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় গত ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সচিত্র সংবাদে প্রকাশ, ‘আওয়ামী লীগের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের ফটকের সামনে জাতীয় পতাকা ও শেখ মুজিবের ছবি রেখে সেøাগান দিয়েছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুব মহিলা লীগের কয়েকজন নেত্রী। আরও কয়েকটি খবর, ‘ফিরছে নিষিদ্ধ জঙ্গি আওয়ামী নেতাকর্মীরা, খুলনায় দলীয় কার্যালয়ে প্রবেশ। প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে প্রবেশ করেছেন দলটির কয়েকজন নেতাকর্মী।’ যতদূর জানা যায়, নির্বাচন বৈতরণী পার হওয়ার জন্য এসব কথা ব্যবহার করে থাকলেও প্রকৃত পক্ষে আওয়ামী লীগ বিএনপির বন্ধু নয়, কোনো কালেই বন্ধু ছিল না। তার প্রমাণ, দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকায় গত ০১ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে প্রকাশিত, ‘দায়মুক্তি, মামলা, অবমুক্তি ও মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক’ শিরোনামে একটি অর্টিকেলে লেখা হয়েছিল। এর কিছু অংশ, ‘প্রকাশ, ৫ জানুয়ারির আগে সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় কেবল ঢাকাতেই রুজু হয়েছে ২০০ মামলা। অধিকাংশ মামলায় বিএনপির আসামির সংখ্যা শতাধিক। পল্টন থানায় দ্রুত বিচার আইনের একটি মামলায় যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীসহ চার্জশিটভুক্ত আসামির সংখ্যা ১৪৭ জন। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাইফুল আলম, হাবিবুন্নবী সোহেল, আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল ও হাবিবুর রশিদ অঙ্গসংগঠনের ৬ নেতা, প্রত্যেকের নামে মামলার সংখ্যা যথাক্রমে ১৬০, ১১০, ১৩০, ৭৫, ৮০ ও ১৪০টি। থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সারা দেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে রয়েছে লক্ষাধিক মামলা। মোকদ্দমাগুলো রিমোট কন্ট্রোল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। যে রিমোট কন্ট্রোলের কারণে একজন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ও এক্স প্রেসিডেন্ট ৮৬ বছর বয়সে পৌঁছেও বাকস্বাধীনতা ভোগ করতে পারছেন না সে রিমোট কন্ট্রোলের কারণে বিরোধী দলসহ বিরোধীভাবাপন্ন সুধী সমাজও দিশেহারা।’ ‘বোবার শত্রু নেই’ শিরোনামে গত ২৯ অক্টোবর ২০১৭ দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকায় প্রকাশিত কলামের অংশ, ‘শরীরের ভার বইতে পারছেন না। পুলিশের কাঁধে ভর করে অশীতিপর বৃদ্ধ মানুষটিকে এভাবে আর আদালতে হাজির হতে হবে না। কয়েক মাস আগেও এভাবেই হাজির করা হতো এম কে আনোয়ারকে। ২০১৫ সালের আগস্ট মাসে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বাসে পেট্রোল বোমা হামলায় আসামি তিনি। মহামান্য উচ্চ আদালত থেকে জামিনপ্রাপ্ত হয়ে জামিনে উল্লিখিত শর্ত মোতাবেক নিম্ন আদালতে হাজির হলে বিজ্ঞ নিম্ন আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে হাজতে পাঠায়। দীর্ঘ ৬ মাস কারাভোগের পর অসুস্থতার কারণে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ জামিনে মুক্তি পান। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরও গোটা বিশেক মামলায় আদালতে হাজিরাসহ দেশ-বিদেশে চিকিৎসার জন্য টানাহেঁচড়ায় একেবারে নেতিয়ে পড়েন বিছানায়। মনুষ্য জগতের সব পাট চুকিয়ে ২৩ অক্টোবর রাত ১টা ২০ মিনিটে শেষ খেয়া পার হয়ে চলে গেলেন শেষ বিচারকের কাছে।’ এর পরেও আওয়ামী লীগ বন্ধু হয় কী করে? তার পরেও একটা কারণ তো আছেই।

বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া হিসাব অনুযায়ী, প্রাপ্ত ভোটের ভিত্তিতে হলে ১০০ সদস্যের উচ্চকক্ষে বিএনপি পেতে পারে ৫০টির বেশি আসন এবং জামায়াতে ইসলামী ৩৩টি আসন। অন্যদিকে নিম্নকক্ষে দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের ভিত্তিতে হিসাব করা হলে বিএনপি পেতে পারে ৬৯টি আসন এবং জামায়াতে ইসলামী ২২টি। অর্থাৎ পদ্ধতির পার্থক্যে উচ্চকক্ষের রাজনৈতিক ভারসাম্য উল্লেখযোগ্যভাবে বদলে যেতে পারে। পরিশেষে পিআর পদ্ধতি। একপক্ষ বলছে প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে দ্বিতীয় কক্ষ, কারও মতে প্রাপ্ত আসনের অনুপাতিক দ্বিতীয় কক্ষ। এই দূরত্ব দূর করা খুব কঠিন নয়। গণতন্ত্রের সংজ্ঞা ভুলে গেলে আমরা অণুসরণ করি, আব্রাহাম লিংকনের, ‘গণতন্ত্র হলো জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা সরকার এবং জনগণের জন্য সরকার’ (Government of the people, by the people, for the people)। পিআর পদ্ধতি ভুলে গেলেও আমরা অনুসরণ করব যেসব দেশকে অণুসরণ করে পিআর পদ্ধতির প্রচলন হয়েছে সেসব দেশকে। ‘বিশ্বের অনেক দেশে পিআর (Proportional Representation - PR) নির্বাচনী পদ্ধতি প্রচলিত, বিশেষ করে ইউরোপে এটি জনপ্রিয়। এর মধ্যে জার্মানি, সুইডেন, ডেনমার্ক, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড, পর্তুগাল, স্পেন, সুইজারল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, ইসরায়েল এবং ইন্দোনেশিয়া অন্যতম। এই পদ্ধতিতে দলগুলো প্রাপ্ত ভোটের শতাংশ অনুযায়ী সংসদে আসন পায়। প্রায় ৮৫টির মতো দেশে কোনো না কোনো ধরনের পিআর বা আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা অনুসরণ করা হয়, যা নির্বাচনের পর সুষ্ঠু প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে।

একটি কল্যাণকর রাষ্ট্রের জন্য একটি শক্তিশালী বিরোধী দল আবশ্যক। শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে দেশ লুটপাটের রাজ্যে পরিণত হওয়াসহ সরকার হয় স্বৈর। বিগত সরকারের গৃহপালিত বিরোধী দলের কারণেই সরকার স্বৈর হয়েছিল। শক্তিশালী বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্রের সুফল নিশ্চিত করা কঠিন। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি উন্নত এবং গণতান্ত্রিক দেশে শক্তিশালী, দায়িত্বশীল ও কার্যকরী বিরোধী দলের উপস্থিতি বিদ্যমান, যা সুশাসন নিশ্চিত করতে সরকারকে গঠনমূলক সমালোচনা ও জবাবদিহির মুখোমুখি করে। এই শক্তিশালী বিরোধী দল সাধারণত জনগণের স্বার্থরক্ষা করে এবং ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে, যা উন্নত গণতন্ত্রের একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। সরকার যেন অগণতান্ত্রিক বা কর্তৃত্ববাদী না হয়ে ওঠে, তা নিশ্চিত করতে বিরোধী দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জনস্বার্থবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত যাতে সরকার  না নিতে পারে, সেজন্য বিরোধী দল সঠিক সমালোচনা ও দিকনির্দেশনা প্রদান করে। শক্তিশালী বিরোধী দল গণতন্ত্রকে টেকসই ও মজবুত করে। জনগণের জন্য বিকল্প রাজনৈতিক কর্মসূচি ও নীতি তুলে ধরে। উন্নত বিশ্বে বিরোধী দলের এই সক্রিয় উপস্থিতি সরকারকে যে কোনো অন্যায় সুবিধা প্রদান বা অনিয়ম করা থেকে বিরত রাখে।  প্রতিশোধ স্পৃহা, অর্থ, ক্ষমতা ও পদের লোভে যারা সরকারকে ভুল পরামর্শ দেয়,  তারা কখনো সরকারের বান্ধব হওয়ার যোগ্য নয়।

লেখক: আইনজীবী ও কথাসাহিত্যিক

[email protected]

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত