দেশের বাজারে আবারও লাফিয়ে বেড়েছে স্বর্ণের দাম। আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে স্থানীয় বাজারে নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস)। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে সারাদেশে কার্যকর হয়েছে স্বর্ণের এই নতুন দাম।
সকাল সাড়ে ৯টায় বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এন্ড প্রাইস মনিটরিং-এর এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় দেশের সামগ্রিক স্বর্ণের বাজার পরিস্থিতি ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে স্বর্ণ ও রূপার অলঙ্কারের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নতুন দরই কার্যকর থাকবে।
নতুন তালিকা অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম এখন থেকে ২,৭৭,৪২৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণ প্রতি ভরি ২,৬৪,৭৭৩ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ প্রতি ভরি ২,২৭,০০১ টাকায় বিক্রি হবে। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দামও বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রতি ভরি ১,৮৫,৭৫১ টাকায়।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। ভরির হিসেবে এখন থেকে ২২ ক্যারেট রূপা বিক্রি হবে ৭,১৭৩ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেট রূপা ৬,৮৮১ টাকা, ১৮ ক্যারেট রূপা ৫,৮৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপা ৪,৪৩২ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্ধারিত মূল্যের সাথে ক্রেতাকে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট বাধ্যতামূলকভাবে প্রদান করতে হবে। এছাড়া গহনার নকশা ও মজুরি চার্জ প্রতিষ্ঠানভেদে ভিন্ন হতে পারে।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শান্তির পথ খুলে দিতে পারে: নেতানিয়াহু