টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল থেকেই ছিটকে গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু তারা এখনো দেশে ফিরতে পারেনি। তাদের সঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলও ভারতে আটকে আছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বিমানযাত্রায় বিঘ্ন ঘটেছে। এ কারণেই আটকে পড়েছেন ক্রিকেটাররা। কিন্তু কুইন্টন ডি’ককরা আইসিসির ওপর চটেছেন ভিন্ন কারণে।
দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটারদের অভিযোগ, কিছু দলকে দেশে ফেরার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। যেমন সেমিফাইনাল থেকে বিদায়ের পর ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররা মুম্বাই থেকে চার্টার্ড ফ্লাইটে লন্ডনে ফিরে গেছে। আইসিসির প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রোটিয়া তারকা ডেভিড মিলার সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘অদ্ভুত ব্যাপার! ইংল্যান্ড আমাদের পরে বিদায় নিয়েও আজই চার্টার্ড ফ্লাইটে দেশে ফিরছে; অথচ আমরা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ এখনো কলকাতায় অপেক্ষা করছি!’
মিলারের সতীর্থ উইকেটকিপার ব্যাটার কুইন্টন ডি ককও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আইসিসিকে একহাত নিয়েছেন, ‘মজার ব্যাপার আইসিসি, আমরা এখনো কিছুই জানিনা। অথচ ইংল্যান্ড আমাদের আগে চলে যাচ্ছে! ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং প্রোটিয়ারা এখনো অন্ধকারে। অদ্ভুত ব্যাপার! কিছু দলের প্রভাব যেন বেশি!’
ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান কোচ ড্যারেন স্যামিও এই সমালোচনায় সমর্থন জানিয়ে মন্তব্য করেন, ‘এই কথাটা আর একটু জোরে বলুন, যাতে পেছনের সারির লোকেরাও শুনতে পায়।’
ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভনও বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘ইংল্যান্ড বৃহস্পতিবার বাদ পড়েছে, আর আজই চার্টার্ড ফ্লাইটে দেশে ফিরছে। অথচ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা অনেক আগেই বাদ পড়েও এখনও কলকাতায় আছে। এখানে ক্ষমতার ভারসাম্য ঠিক নেই। এই পরিস্থিতিতে সব দলকে সমানভাবে আচরণ করা উচিত। আইসিসিতে কার প্রভাব বেশি—এটা বিবেচ্য হওয়া উচিত নয়।’
বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলকে একসঙ্গে চার্টার্ড ফ্লাইটে কলকাতা থেকে জোহানেসবার্গে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সেখান থেকে ক্যারিবীয় দলটি যাবে অ্যান্টিগায়। এদিকে আজ রবিবার বিশ্বকাপ ফাইনালে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ভারত ও নিউজিল্যান্ড।
ফাইনালে র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর ব্যাটার ও বোলারকে বাদ দিতে বললেন গাভাস্কার
মাদ্রিদ থেকে ভক্তদের আশ্বস্ত করলেন চোটাক্রান্ত রোনালদো