ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৪ ও ঢাকা-১৬ সংসদীয় আসনে কারচুপির অভিযোগে হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন বিএনপির দুই পরাজিত প্রার্থী। তারা হলেন ঢাকা-১৬ আসনের প্রার্থী আমিনুল হক ও ঢাকা-৪ আসনে প্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিন।
রবিবার (৮ মার্চ) মামলা গ্রহণ করে প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চ দুই আসনের ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিট ও অন্যান্য নির্বাচনি সরঞ্জাম নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
আদালতে দুজনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেন, নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে আমিনুল হককে ৩ হাজার ৩৬১ ভোটের ব্যবধানে এবং তানভীর আহমেদ রবিনকে ২ হাজার ৯২০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত দেখানো হয়েছে। দুটি আসনে জামায়াতের দুই প্রার্থীকে বিজয়ী দেখানো হয়।
আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, দুজনের পক্ষে মামলা করতে গিয়ে আমরা আদালতের সামনে আমরা কিছু অকাট্য প্রমাণ উপস্থাপন করেছি। এর মধ্যে এমন কিছু ফলাফল তৈরি করা হয়েছে, যেখানে আমিনুল হক ও তানভীর আহমেদের কোনো এজেন্টের স্বাক্ষর নেওয়া হয়নি। এই দুই আসনে নির্বাচনের আগেও ভোটারদের, বিএনপির দুই প্রার্থীর এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের সাক্ষ্য প্রমাণ এবং যুক্তি উপস্থাপনের পরে আদালত এই দুটি নির্বাচনি মামলা শুনানির জন্য গ্রহণ করে আগামী ৮ জুন পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন। এছাড়া মামলার প্রতিপক্ষ, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, যারা বিজয়ী ঘোষিত হয়েছেন, তাদের জন্য নোটিস জারি করেছেন হাইকোর্ট।
রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, দুটি নির্বাচনি এলাকার প্রত্যেকটি ভোটের মেটেরিয়াল অর্থাৎ ব্যালট বাক্স, মুড়ি থেকে শুরু করে সমস্ত কিছু সুরক্ষিত রাখতে হবে।
