জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের নেতৃত্বের চূড়ান্ত পর্যায়ে বিএনপি। বিগত রাজপথের সংগ্রামী ত্যাগী ও নেতৃত্বে গুণাবলি সম্মিলিত নেতাদের সন্ধানের দলীয় হাইকমান্ড। কেন্দ্রীয় সংসদের শীর্ষ দুই পদের জন্য তালিকা চূড়ান্ত হচ্ছে। আলোচিত ও সাংগঠনিক দক্ষ নেতা যাচাই-বাছাই চলছে। যেকোন সময় আসতে পারে নতুন নেতৃত্বের নাম-পরিচয়।
বেশ কয়েকজন আলোচিত ও সাংগঠনিক দক্ষ নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সংসদে আলোচনায় রয়েছে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার বাসিন্দা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র, রাজপথের অকুতোভয়, বীর সাহসী সৈনিক, হামলা-মামলায় নির্যাতিত, কারাবরণ ও একাধিক মামলার আসামি, গুমের শিকার, কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের বর্তমান সহ সভাপতি কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত। তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে রয়েছেন। তৎকালীন সরকারের ভয়াবহ নিপীড়ন ও জুলাই আন্দোলনে সামনে নেতৃত্বে বলীয়ান নেতৃত্বে অধিকারী ছিলেন বাসিত।
কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ছাত্রনেতাদের মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদের ইব্রাহিম, ফয়সাল, লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. ইব্রাহীম ও সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত তৃণমূল ছাত্র রাজনীতির কারিগর। সাবলীল ও স্মার্ট নেতৃত্বের অধিকারী তিনি। তিনি হাছিনা বিরোধী আন্দোলনের গুম ও হামলা-মামলা শিকার হন। সারা দেশে ছাত্র সংসদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তার সক্রিয় অংশগ্রহণ দলের ভাবমূর্তি উজ্জ্বলে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
তারা আরও বলেন, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের মুখ্য আলোচনায় কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত এগিয়ে রয়েছে। তার একক নেতৃত্ব দলের হাইকমান্ডের চোখে পড়া ছিল। তিনি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে দলের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে একাধিক টিভি ও টকশোতে কথা বলেছেন। তার সাহসী কণ্ঠে দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে স্প্রা ও সাহস জুগিয়েছে। তৃণমূল ছাত্রনেতা ও কর্মীদের সুসংগঠিত করতে তার বিচরণ ও দক্ষতা যোগাযোগ প্রশংসিত। সারা দেশে তার গড়া অসংখ্য কর্মী রয়েছে। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের পক্ষে ভোটযুদ্ধে ব্যাপক সাড়া পেলেন। তাকে দলের সভাপতি-সম্পাদকের দায়িত্বে রাখলে দলের চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংগঠনিক দক্ষ কারিগর গড়তে আস্থা ও সাহস রাখতে পারবেন এমন বিশ্বাস রাখছি।
কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে হাছিনা বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে ছিলাম। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছি। ঢাকার রাজপথ দখলে ছিল। সারা দেশে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়েছি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিগত সংগ্রামে দলের দায়িত্ব পালন করেছি। ২৯টা মামলায় আসামি হয়েছি। ৪ বার গ্রেপ্তার হয়েছি। টানা ১১ মাস জেলে থেকেছি। গুমের শিকার হয়েছি। রাজপথ থেকে পিছ পা হয়নি। তারেক রহমানে নির্দেশ পালন করেছি। এখন দলের হাইকমান্ড ও প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নিবেন আগামীর ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদে কারা নেতৃত্ব দিবে। তিনি যদি মনে করেন আমাকে নেতৃত্বে রাখবেন-আলহামদুলিল্লাহ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস আস্থা রয়েছে।
কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি হাছিনা বিরোধী আন্দোলনে ২৯টি মামলায় আসামি ছিলেন। গুমের শিকার হন। একটানা ১১মাস কারা ভোগ করেন। ৪বার গ্রেপ্তার হন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ এমবিএ শেষ করে এমফিএলের অধ্যয়ন করছেন।
গোলাম পরওয়ারের আসনের ব্যালট সংরক্ষণের নির্দেশ
প্রশংসার বন্যায় শাকিব খান