প্রবাসীর লাশের অপেক্ষায় পরিবার 

আপডেট : ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৬ পিএম

গত ৭ই মার্চ দুবাইয়ের আজমান শহরে একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল গ্রামের সাজেদুল (৫০)। কিন্তু নানা জটিলতায় এখন পর্যন্ত দেশে আনা সম্ভব হয়নি তার লাশ। ঈদের আগে অন্তত তার লাশ দেশে ফেরত আনতে পারবেন বলে আশা ছিল পরিবারের।  

প্রবাসে মৃত্যুবরণ করা ওই ব্যক্তি উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে বলে জানা গেছে। দীর্ঘ সময় ধরেই তিনি প্রবাসী হিসেবে বিভিন্ন দেশে কাজ করছিলেন। সর্বশেষ গত প্রায় এক বছর পূর্বে দুবাই যান।

নিহতের ভাই মাসুদ পারভেজের সাথে কথা বলে জানা যায়, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ইরান যুদ্ধের কারণে ফ্লাইট বন্ধ থাকায় দেশে আসতে পারছিলেন না তার ভাই। শারিরীকভাবে অসুস্থ বোধ করায় ভিসার মেয়াদ না বাড়িয়ে দেশে ফেরত আসার পরিকল্পনা ছিল। এ নিয়ে সর্বশেষ গত ৩রা মার্চ কথা হয় তার ভাইয়ের সঙ্গে। 

কথা বলার পরদিন থেকেই তাকে মোবাইলে পাচ্ছিলেন না মাসুদ পারভেজ। পরে ৯ই মার্চ ভাইয়ের খোঁজে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলে বিষয়টি দুবাইতে কর্মরত অন্য আত্মীয়দের দৃষ্টিগোচর হয়। তাদের মাধ্যমে গত ১২ই মার্চ রাতে জানতে পারেন ৭ই মার্চ দুবাইয়ের আজমান এলাকায় শেখ খলিফা হাসপাতালে মারা গেছে তার ভাই।

মাসুদ পারভেজ অভিযোগ করে বলেন, ভাইয়ের লাশ দেশে আনার জন্য আমি টাঙ্গাইল প্রবাসী কল্যাণ সেন্টারে যোগাযোগ করে অনেক কষ্টে আবেদন জমা দিয়েছি। সেখানকার লোকজন একটু আন্তরিকভাবে চেষ্টা করলে হয়তো আমার ভাইয়ের লাশ ঈদের আগেই দেশে আসতো। ওই অফিসের লোক আমাকে তাদের মোবাইল নাম্বারটি পর্যন্তও দেয়নি।

টাঙ্গাইল প্রবাসী সেন্টারের সহকারি পরিচালক ফারুক বলেন, আমি তার আবেদন গ্রহণ করেছি। কিন্তু ঈদের বন্ধের কারণে এখন কিছু করার সুযোগ নেই। তাকে ঈদের পর আসতে বলেছি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত