অবিশ্বাস্য

আপডেট : ২৫ মার্চ ২০২৬, ০১:০৬ এএম

মাংসখেকো মাছি

মাছির একটি জাত রয়েছে, যারা ‘মাংসখেকো’ হিসেবে পরিচিত। সাধারণত গবাদিপশুর দেহে বাসা বেঁধে এরা মাংস খায়। এর ফলে সেই পশুর মৃত্যুও হতে পারে। এবার মানবদেহে এই মাংসখেকোর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। ইংরেজিতে একে বলে‘নিউ ওয়ার্ল্ড স্ক্রুওয়ার্ম’। মাংসখেকো বলা হচ্ছে এক ধরনের মাছির লার্ভা বা শুককীটকে। এই লার্ভা উষ্ণ রক্তের প্রাণীর ক্ষতস্থানে বাসা বাঁধে। আর জীবিত অবস্থায়ই সেই প্রাণীর মাংস খাওয়া শুরু করে। পানামা, হন্ডুরাস, গুয়াতেমালা, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া, বেলিজ ও এল সালভাদরে এর উপদ্রব দেখা যায়। এমনকি এই লার্ভা মেক্সিকোর দক্ষিণাঞ্চলে পৌঁছে যায়। ফলে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায়। যুক্তরাষ্ট্র হুমকি ঠেকাতে জরুরি পদক্ষেপ নিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের জীববিজ্ঞানী, গবাদিপশু খামারি, মাংসশিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, এ পর্যন্ত গবাদিপশু পালনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই ডজনেরও বেশি মানুষ এতে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে এই পরজীবী জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি সৃষ্টির আশঙ্কা কম। ‘নিউ ওয়ার্ল্ড স্ক্রুওয়ার্ম’ হলো এক প্রকার বড় মাছির লার্ভা অবস্থা। এই মাছিগুলো উষ্ণ রক্ত বা স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহের কোনো ক্ষতস্থানে ডিম পাড়ে। যথাসময়ে ডিম ফুটে শত শত লার্ভা বের হয়। এসব লার্ভার মুখ খুবই ধারালো থাকে এবং জন্মের পর থেকেই এরা পোষকের দেহের মাংস খেতে শুরু করে। যদি যথাসময়ে চিকিৎসা না দেওয়া হয়, তাহলে আক্রান্ত পোষকের মৃত্যু অনিবার্য। এখন পর্যন্ত এর কোনো টিকা আবিষ্কার হয়নি।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত