কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে এক ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে চাঁদার দাবিতে দিনভর শারীরিক নির্যাতন করেছে একদল বখাটে। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় জড়িত ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে জিল্লুর রহমান (৩০) ও পূর্ব চাঁন্দিশকরা গ্রামের মৃত জাফর মিয়ার ছেলে সোহাগ প্রকাশ মুন্না (২৭)।
নির্যাতনের শিকার ব্যবসায়ী মো. এয়াছিন ফেনী সদর এলাকার অলুকিয়া গ্রামের আবদুল জলিলের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ চৌদ্দগ্রাম বাজারে ফল ব্যবসা করে আসছেন। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার রাতে চৌদ্দগ্রাম থানা এলাকার মাত্র ২শত গজের মধ্যে একটি পরিত্যক্ত স্কুল ভবনে। ব্যবসায়ীকে উদ্ধার ও অভিযুক্তদের গ্রেফতারের তথ্যটি বৃহস্পতিবার বিকালে নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু মাহমুদ কাউছার হোসেন। পরে এ ঘটনায় ভুক্তভোগি ব্যবসায়ী এয়াছিন বাদী হয়ে ৫জনকে আসামী করে থানায় একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু মাহমুদ কাউছার হোসেন বলেন, এয়াছিন নামে চৌদ্দগ্রাম বাজারের এক ফল ব্যবসায়ীকে টাকা ধারের বায়না ধরে ৫ ব্যক্তি আটকে রেখে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। ওই ব্যবসায়ী দাবিকৃত চাঁদার টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে তাকে নির্যাতন করা হয়। স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে এমন সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে গুরুতর আহত ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। পালিয়ে যাওয়া অপর ৩জনকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
