পৃথিবীর বর্তমান জ্বালানি পরিস্থিতি

আপডেট : ২৯ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৬ এএম

বর্তমান বিশ্বে জ্বালানি চাহিদা যে হারে বাড়ছে, তার বিপরীতে জীবাশ্ম জ্বালানির সীমিত মজুদ, চলতি যুদ্ধ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতা আমাদের এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। এ বিষয়ে লিখেছেন অনিন্দ্য নাহার হাবীব

পৃথিবীর বর্তমান প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সংকট এক অনস্বীকার্য সত্য হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা থেকে শুরু করে বিশালাকার শিল্পকারখানা পরিচালনা পর্যন্ত প্রতিটি পদক্ষেপে বিদ্যুতের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে। বিশেষ করে দুই হাজার চব্বিশ এবং পঁচিশ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী প্রাথমিক জ্বালানির চাহিদা প্রায় দুই শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে বিদ্যুৎ চাহিদার বৃদ্ধির হার চার শতাংশেরও বেশি। এই বিপুল চাহিদার বিপরীতে দীর্ঘকাল ধরে ব্যবহৃত জীবাশ্ম জ্বালানি বা ফসিল ফুয়েলের মজুদ যেমন সীমিত হয়ে আসছে, তেমনি এর অতিব্যবহার জলবায়ু পরিবর্তনের মতো ভয়াবহ সংকট তৈরি করছে। কয়লা, তেল এবং গ্যাসের দহন থেকে নির্গত কার্বন ডাই-অক্সাইড বৈশ্বিক উষ্ণায়ন এবং চরম আবহাওয়ার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। এই জটিল পরিস্থিতিতে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা এবং পরিবেশ রক্ষার একমাত্র কার্যকর সমাধান হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা রিনিউয়েবল এনার্জি আজ বিশ্বের সামনে সবচেয়ে বড় আশার আলো।

বৈশ্বিক জ্বালানি প্রেক্ষাপট

বর্তমান বিশ্বের জ্বালানি প্রেক্ষাপট এক জটিল ও পরিবর্তনশীল বাস্তবতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছে। মানবসভ্যতার প্রতিটি অগ্রগতির সঙ্গে জ্বালানির চাহিদা সরাসরি যুক্ত এবং প্রযুক্তিনির্ভর এ সময়ে সেই চাহিদা অভূতপূর্ব গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিল্পায়ন, নগরায়ণ এবং ডিজিটাল অবকাঠামোর বিস্তারের ফলে বিদ্যুতের প্রয়োজনীয়তা এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। গরমের তীব্রতা বৃদ্ধির কারণে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ব্যবহার যেমন বাড়ছে, তেমনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর প্রযুক্তির প্রসারে গড়ে ওঠা বিশাল তথ্যকেন্দ্রগুলোও বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে। ফলে পৃথিবীর সামগ্রিক জ্বালানি চাহিদা প্রতি বছরই উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বর্তমান ব্যবস্থার ওপর ক্রমে চাপ সৃষ্টি করছে।

এই বিপুল চাহিদার সিংহভাগ এখনো জীবাশ্ম জ্বালানির মাধ্যমেই পূরণ করা হচ্ছে। কয়লা, তেল এবং গ্যাসের মতো জ্বালানি উৎসগুলো দীর্ঘদিন ধরে শিল্প ও অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করলেও, এদের সীমাবদ্ধতা এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে। একদিকে যেমন এই জ্বালানিগুলোর মজুদ সীমিত এবং ধীরে ধীরে নিঃশেষের পথে, অন্যদিকে এদের ব্যবহার পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। বায়ুমণ্ডলে অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণের ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এই বাস্তবতা বিশ্বকে এক ধরনের সংকটময় অবস্থার দিকে ঠেলে দিচ্ছে, যেখানে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং পরিবেশ রক্ষা দুটোর মধ্যে সমন্বয় করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠছে।

এই বৈশ্বিক চিত্রের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থানও বেশ সংবেদনশীল। দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা এখনো প্রধানত গ্যাস ও কয়লার ওপর নির্ভরশীল, যা মোট উৎপাদনের প্রায় পুরো অংশ জুড়ে রয়েছে। দেশীয় গ্যাসের মজুদ দ্রুত কমে আসায় ক্রমবর্ধমানভাবে আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে, যা অর্থনীতির জন্য একটি বড় চাপ সৃষ্টি করছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামের ওঠানামা সরাসরি দেশের বিদ্যুৎ খাতে প্রভাব ফেলে, ফলে জ্বালানি নিরাপত্তা একটি অনিশ্চিত অবস্থার মধ্যে থাকে। এর পাশাপাশি, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা পরিবেশগত ঝুঁকিও বাড়িয়ে দিচ্ছে, যা একটি জলবায়ু-সংবেদনশীল দেশের জন্য বিশেষভাবে উদ্বেগজনক।

নবায়নযোগ্য জ্বালানির জয়যাত্রা

বিগত এক দশকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে যে অগ্রগতি দেখা গেছে, তা সত্যিই এক বিপ্লবের ইঙ্গিত বহন করে। একসময় যেখানে এই খাতকে ভবিষ্যতের সম্ভাবনা হিসেবে দেখা হতো, আজ তা বাস্তবতার মাটিতে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি ব্যবস্থাকে রূপান্তরিত করছে। বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশ্ব যে গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, তা অভূতপূর্ব। সাম্প্রতিক সময়ের প্রাক্কলন অনুযায়ী, নতুন করে যুক্ত হওয়া বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার বিশাল একটি অংশই আসছে সৌরশক্তি থেকে, যা নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে বৈশ্বিক শক্তির মূলধারায় নিয়ে আসছে।

একই সঙ্গে বায়ুশক্তিও ধীরে ধীরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে শুরু করেছে। সৌর ও বায়ুশক্তির সম্মিলিত অবদান ইতিমধ্যেই বিশ্বব্যাপী বিদ্যুৎ সরবরাহের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ জুড়ে নিয়েছে এবং এই প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার বিশ্লেষণ বলছে, খুব শিগগিরই বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য উৎসগুলো কয়লার মতো ঐতিহ্যবাহী জ্বালানিকে ছাড়িয়ে যাবে। এই পরিবর্তন শুধু একটি পরিসংখ্যানগত অগ্রগতি নয়, বরং এটি একটি প্রতীক একটি টেকসই ভবিষ্যতের দিকে মানবজাতির সম্মিলিত যাত্রার প্রতিফলন।

বর্তমানে বিশ্বে মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসছে এবং এই হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই এই অংশ আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। এই অগ্রগতির পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হলো প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং উৎপাদন খরচের নাটকীয় হ্রাস। একসময় যে সৌরবিদ্যুৎ ছিল ব্যয়বহুল এবং সীমিত ব্যবহারের উপযোগী, আজ তা বিশ্বের অনেক অঞ্চলে সবচেয়ে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎসে পরিণত হয়েছে।

এই পরিবর্তনের ফলে শুধু পরিবেশগত দিক থেকেই নয়, অর্থনৈতিক দিক থেকেও বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে, যা একে একটি সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও পরিণত করেছে। পাশাপাশি, বিদ্যুৎ সংরক্ষণ প্রযুক্তির উন্নতি বিশেষ করে উন্নত ব্যাটারি ব্যবস্থার আবির্ভাব এই খাতের একটি বড় সীমাবদ্ধতাকে অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করছে। স্মার্ট গ্রিড ব্যবস্থার মাধ্যমে উৎপাদিত বিদ্যুৎকে আরও দক্ষতার সঙ্গে বিতরণ ও ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে, যা পুরো জ্বালানি ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য করে তুলছে।

বাংলাদেশের সম্ভাবনা

বাংলাদেশের জ্বালানি বাস্তবতা একদিকে যেমন সীমাবদ্ধতার গল্প বলে, অন্যদিকে তেমনি সম্ভাবনার এক উজ্জ্বল দিগন্তও উন্মোচন করে। বর্তমানে দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা এখনো খুবই সীমিত। মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের তুলনায় এই খাতের অবদান প্রায় নগণ্য, যেখানে সৌরশক্তিই প্রধান উৎস হিসেবে বিদ্যমান আর বায়ুশক্তি ও জলবিদ্যুৎ এখনো তুলনামূলকভাবে সীমিত পর্যায়ে রয়েছে। ফলে সামগ্রিকভাবে দেশের জ্বালানি কাঠামো এখনো জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ঝুঁকি তৈরি করছে।

তবে ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি দেশ। বছরের অধিকাংশ সময় জুড়ে পর্যাপ্ত সূর্যালোক পাওয়া যায়, যা সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এক বিশাল সুযোগ সৃষ্টি করে। শহরাঞ্চলে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ এবং জলাভূমি বা জলাধারে ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। একই সঙ্গে উপকূলীয় অঞ্চলে বায়ুর গতি তুলনামূলক বেশি হওয়ায় সেখানে বায়ুশক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। গ্রামাঞ্চলে কৃষিজ বর্জ্য ও জৈব উপাদান থেকে জ্বালানি উৎপাদনের ক্ষেত্রেও যথেষ্ট সম্ভাবনা বিদ্যমান, যা স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই জ্বালানি সমাধান হিসেবে কাজ করতে পারে।

এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা দুই হাজার পঁচিশ-এর অধীনে কর ছাড়, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং নির্দিষ্ট হারে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ ক্রয়ের বাধ্যবাধকতার মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব পদক্ষেপ বেসরকারি খাতকে এই খাতে বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে সরকার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হিসেবে দুই হাজার ত্রিশ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা নির্ধারণ করেছে, যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

তবে এই অগ্রযাত্রা একেবারে সহজ নয়। বিদ্যমান বিদ্যুৎ গ্রিড অবকাঠামো এখনো পর্যাপ্ত উন্নত নয়, যা নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সঠিকভাবে সংযুক্ত ও বিতরণে বাধা সৃষ্টি করে। এ ছাড়া বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য উপযুক্ত জমির অভাব, অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা এবং কিছু প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে প্রশাসনিক জটিলতা এই খাতের অগ্রগতিকে ধীর করে দেয়। তাই এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করে পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যেতে পারলেই বাংলাদেশ তার সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে সক্ষম হবে এবং একটি টেকসই জ্বালানি ভবিষ্যতের দিকে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যেতে পারবে।

পথের বাধা

নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে রূপান্তরের এই যাত্রা যতটা সম্ভাবনাময়, ততটাই চ্যালেঞ্জপূর্ণ। বৈশ্বিক পরিসরে অন্যতম প্রধান বাধা হলো উৎপাদিত বিদ্যুৎকে কার্যকরভাবে মূল সঞ্চালন ব্যবস্থায় যুক্ত করা এবং তা নিরবচ্ছিন্নভাবে সরবরাহ নিশ্চিত করা। নবায়নযোগ্য উৎসের একটি বড় সীমাবদ্ধতা হলো এর অনিয়মিত প্রকৃতি সূর্য সবসময় আলো দেয় না, বাতাসও সবসময় সমানভাবে প্রবাহিত হয় না। ফলে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সংরক্ষণ প্রযুক্তির অভাব এই খাতের স্থিতিশীলতা অর্জনের পথে একটি বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দাঁড়ায়। এর পাশাপাশি উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য অর্থায়ন নিশ্চিত করাও একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ, কারণ এই খাতে প্রাথমিক বিনিয়োগ তুলনামূলক বেশি এবং প্রযুক্তিনির্ভর অবকাঠামো গড়ে তোলা সহজ নয়।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই চ্যালেঞ্জগুলো আরও কিছু নির্দিষ্ট বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত। দেশে এখনো পর্যাপ্ত প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও প্রশিক্ষিত জনবলের ঘাটতি রয়েছে, যা নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি করে। একই সঙ্গে বিদ্যমান বিদ্যুৎ গ্রিড অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা উৎপাদিত বিদ্যুৎকে কার্যকরভাবে বিতরণে সমস্যা তৈরি করে। দ্রুত বাড়তে থাকা বিদ্যুৎ চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদন বৃদ্ধি করা একটি জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া, যা সুপরিকল্পিত উদ্যোগ ছাড়া সম্ভব নয়।

তবে এই চ্যালেঞ্জগুলো অতিক্রম করা অসম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত ও বহুমাত্রিক উদ্যোগ। সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারত্ব বৃদ্ধি করে বৃহৎ পরিসরে বিনিয়োগ নিশ্চিত করা যেতে পারে, যা এই খাতের সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত