নতুন প্রকল্পে ডলি সায়ন্তনী

আপডেট : ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৩ এএম

অনেক দিন ধরেই গানে অনিয়মিত দেশীয় সংগীতাঙ্গনের একসময়ের তুমুল আলোড়ন সৃষ্টিকারী কণ্ঠশিল্পী ডলি সায়ন্তনী। আধুনিক, ফোক গানের পাশাপাশি প্লে-ব্যাকেও ব্যাপক সাড়া ফেলেন নন্দিত এই গায়িকা। একসময় অডিও বাজারে শীর্ষ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত এই নারী শিল্পী বেশ কিছুদিন ধরে কানাডায় রয়েছেন তার মেয়ের কাছে। ডলি সায়ন্তনী বলেন, ‘কানাডাতেও অনেক শো করার অভিজ্ঞতা রয়েছে আমার। আমি বেশ উপভোগ করি এই দেশের শোগুলো। কারণ, এখানে গান শুরু করার পর মুখটুকু গাইলে আর গাইতে হয় না, শ্রোতা-দর্শকই মিউজিকের তালে তালে বাকি গান গেয়ে দেন। এ ভালো লাগা অন্যরকম।’

এদিকে ডলির নিজের ইউটিউব চ্যানেলের জন্য নতুন করে একটি পুরনো জনপ্রিয় গান গাইলেন। প্রয়াত বরেণ্য অভিনেতা, নির্মাতা আব্দুল্লাহ আল মামুন পরিচালিত ১৯৮৮ সালের ১০ জুন মুক্তি পাওয়া ‘দুই জীবন’ সিনেমার ‘আমি একদিন তোমায় না দেখিলে’ গানটি ডলির নিজেরও ভালো লাগে। এ কারণেই নতুন করে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন বলে জানালেন তিনি। মনিরুজ্জামান মনিরের লেখা ও আলম খানের সুর করা গানটি নতুন করে সংগীতায়োজন করেছেন শামীম মাহমুদ। মূল গানটি গেয়েছেন রুনা লায়লা ও প্রয়াত এন্ড্রু কিশোর এবং সিনেমায় লিপ মিলিয়েছিলেন আফজাল হোসেন ও দিতি। নতুন গানে ডলি সায়ন্তনীর সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠে গেয়েছেন রুসলান মেজবাহ।

এদিকে ডলিরই ইউটিউব চ্যানেলে তারই নতুন মৌলিক গান ‘মইরা যদি যাইগো আমি’ গানটি প্রকাশিত হয়েছে। গানটি লিখেছেন ও সুর সংগীতায়োজন করেছেন রোহান রাজ। গানটির মিউজিক ভিডিও দেশের বাইরে চিত্রায়ণ করা হয়েছে। দুটি গান প্রসঙ্গে ডলি সায়ন্তনী বলেন, “শ্রদ্ধেয় রুনা লায়লা আপা ও এন্ড্রু কিশোর দাদার কণ্ঠের দুই জীবন সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘আমি একদিন তোমায় না দেখিলে’ গানটি আমার ভীষণ প্রিয় একটি গান। এই গান বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে আজও জনপ্রিয়। গানটির প্রতি ভীষণ ভালোলাগা থেকেই গানটি কাভার করেছি। আমার বিশ্বাস, শ্রোতা-দর্শকের গানটি ভালো লাগবে। আর আমার কণ্ঠে প্রকাশিত নতুন মৌলিক গান ‘মইরা যদি যাইগো আমি’ গানটির কথা, সুর আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছিল বিধায় গানটি গেয়েছি। এই গানটির প্রতিও শ্রোতা দর্শকের একটা আলাদা আগ্রহ রয়েছে দেখলাম। ধন্যবাদ রোহান রাজকে।”

ডলি সায়ন্তনী বলেন, ‘গান আমার মনের খোরাক। গান থাকলে বা গান গাইলে এমনিতেই অন্যরকম উন্মাদনা তৈরি হয় মনের মধ্যে। সেই উন্মাদনাতেই সময় কীভাবে পার হয়, টের পাই না। কানাডায় প্রায়ই আমার শো থাকে। প্রথম যখন আসি, বুঝতে পারিনি লম্বা সময় থাকব। যখন বুঝলাম, তখন বাংলাদেশ থেকে হারমোনিয়াম ও গানের খাতা আনিয়েছি। গানের রেওয়াজ নিয়মিত করছি। কানাডায় আছি বলে যে গান রেকর্ড করছি না এমনও নয়। এখানে থেকেই আমি নতুন সব গানে কণ্ঠ দিচ্ছি। আমার বাসার কাছেই স্টুডিও রয়েছে। সেখান থেকে গান রেকর্ড করে দেশে পাঠিয়ে দিই। এভাবেই সময় কাটছে। দেশ থেকে দূরে আছি এটা বুঝতেই পারছি না। সবসময় দেশের সঙ্গে আমার যোগাযোগ রয়েছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত